সারা দেশ

হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর দুই পা দগ্ধ

শিশুটি প্রতিবন্ধী হওয়ার আশংকায় দিশেহারা পিতা মাতা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ৩ এপ্রিল, ২০২৩

সাইফুল ইসলাম সিংগাইর প্রতিনিধি:
১৬ দিনের শিশু সিপাইত ইসলামের জন্মের পর ঠান্ডা দুর ও কান্না কাটি না করায় নবজাতকের পায়ে তাপ দিতে গিয়ে দুই পা দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার প্রয়াত বিএনপি নেতা ডা. কেরামত আলী মেমোরিয়াল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। শিশুটির পরিবার ধারদেনা করে লক্ষ টাকার উপরে খরচ করেও আজ অবধি নবজাতকের পা ভাল হয়নি । এতে পরিবারে চলছে কান্নার মাতুম। শিশু সিপাইতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ মার্চ রাতে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের নাজিরপুর ডনখালপাড় এলাকার রাজ মিস্ত্রী শুকুর আলীর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তাজ নাহার উপজেলার ডাঃ কেরামত আলী মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তির পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিজারি করার শর্তে ১৪ হাজার টাকা চুক্তি করেন। পরিবারের সম্মতিতে ঐ রাতেই তাজনাহারের অস্ত্রোপচার করেন ডা. মাহমুদা সুলতানা সাকী। ঐ চিকিৎসক বিএনপি নেতা শ্যামলের স্ত্রী। তার স্ত্রী সরকারি হাসপাতালে চাকরি করলেও অধিকাংশ সময় তার স্বামীর হাসপাতাল দেখভাল করেন । হাসপাতলটির বৈধ কাগজ পত্র ও অভিজ্ঞ নার্স ওআয়া রয়েছে কিনা এনিয়ে স্থানীয় দের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে । শিশুটির জন্মের পর কান্না না করায় শিশুটিকে সনাতন পদ্ধতিতে তাপ দেয় হাসপাতালের আয়াও নার্স।। এ সময় নিয়ম বর্অহিভূত অতিরিক্ত তাপে নবজাতকের দুই পা পুড়ে যায়। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঐ নবজাতককে ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।। সে মোতাবেক পরিবারের লোকজন ঢাকার রেনেসাঁ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ হাসপাতালে শিশুর চিকিৎসা বাবদ দেড় লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়। ঐ দিন মুজুর পরিবার ধারদেনা করে রেনেসাঁ হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেন। এরপরও শিশুর পা ভাল না হওয়ার অবশেষে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করান।
নবজাতকের বাবা শুকুর আলী বলেন, অসাবধানতায় হিট দেওয়ার কারণে তার সন্তানের দুই পা পুড়িয়ে ফেলে হাসপাতালের লোকজনের কথায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বাচ্চা কে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাহয় সেখানে এ পর্যন্ত প্রায় দেড় লক্ষ টাকার মত খরচ হলেও শিশুটি আশঙ্কামুক্ত হয়নি। এ ব্যাপারে ডা. কেরামত আলী মেমোরিয়াল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার বিপ্লব দেওয়ান সাংবাদিকদের জানান , ‘আমাদের হাসপাতালে নবজাতকটির জন্মের পর সনাতন পদ্ধতিতে হিট দেওয়া হয়। তবে আমরা যখন উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করি, তখন শিশুটির পা ভালো ছিল বলে দাবি করেন ।
মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরি বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads