সারা দেশ

হত্যা মামলার বাদী ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

  • ময়মনসিংহ ব্যুরো
  • প্রকাশিত ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

ময়মনসিংহের তারাকান্দার পলাশকান্দা গ্রামের শাহীনুর আলম ওরফে ইকবাল হত্যা মামলায় নিরীহদের আসামি করার প্রতিবাদে এবং মামলার রহস্য উদঘাটনে বাদীসহ তার স্ত্রী-স্বজনদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরির শহীদ ফিরোজ জাহাঙ্গীর চত্বরে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে আব্দুল হেলিম জানান, পরকিয়ার কারনে এই হত্যাকান্ড সংঘঠিত হয়েছে। মূলত ইকবাল হত্যা মামলার বাদী সেলিম মিয়ার ফুফা আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে মুক্তার ত্রিভুজ প্রেমের বলী হয়েছেন ইকবাল। মুক্তাকে নিয়েই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক সম্মতিতে সেলিম মিয়া বিয়ে করেন তার ফুফা আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে মুক্তাকে। বিয়ের আগে মুক্তার সাথে সেলিম মিয়ার ছোট ভাই রুহুলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ কথা জেনেও মুক্তাকে বিয়ে করেন সেলিম। একসময় সেলিমের অনুপস্থিতিতে ইকাবালের সঙ্গে মুক্তার অবৈধ সম্পর্ক তৈরি হয়। ইকবাল যে রাতে নিখোঁজ হন তার তিনদিন আগে মুক্তার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে সেলিম ইকবালকে মারধর করেন। এ বিষয়ে তার মা জামিনা খাতুন দুই ছেলেকেই তিরষ্কার করেন।

আমি চাই এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। এ বিষয়ে সেলিম তার স্ত্রী মুক্তা, সেলিমের মা জামিনা খাতুন এবং সেলিমের ছোট ভাই রুহুল, সেলিমের কাজের বুয়া শিল্পী মুক্তার ত্রিভুজ প্রেমের কথা জানতেন। মামলার রহস্য উদঘাটনে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জোর দাবি করছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই ইকবাল হত্যার আসল ঘটনা বেড়িয়ে পড়বে বলে তার বিশ্বাস।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার, আব্দুল বেপারী, শাহাবুল আলম, মো. বাবুল, মামুন পন্ডিত শহীদুল্লাহ, কাইয়ুম, মিরাজ, আনভির ইসলাম, নিশান, ইমন, আকাশ, আলামিন, রনিসহ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ইকবাল গত বছর ৩১মে রাত ১০টার দিকে খাবার খেয়ে বাড়ির পাশে জনৈক সাজ্জাদ মিয়ার দোকানে চা খেতে যান। তিনি আর বাড়িতে ফিরেননি। কোথাও খোঁজ না পেয়ে পরদিন ১লা জুন নিহতের বাবা মো. আব্দুর রউফ তারাকান্দা থানায় একটি নিখোঁজের জন্য জিডি করেন। এই জিডির পর ৫ জুন সকাল ৭টার দিকে পলাশকান্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ জব্বারের পরিত্যক্ত হাউজের খোলা সেফটি ট্যাঙ্কির ভেতর থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেন। পরে মামলার বাদী মোঃ সেলিম মিয়া তার ছোট ভাই শাহীনুর আলম ওরফে ইকবালের লাশ শনাক্ত করেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads