সারাদেশের গ্রামীণ জনপদের মতো নয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানার কামাউড়া গ্রামের রাস্তা। অথচ গ্রামটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। এ ছাড়া উপজেলার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে গ্রামটির আছে ব্যাপক ভূমিকা। কিন্তু গ্রামটির প্রবেশমুখের রাস্তাটি যেন রাস্তা নয়। একটু বৃষ্টিতেই খানা-খন্দ পানিতে ভরে চাষের জমির মতো রূপ লাভ করে।
এ নিয়ে গ্রামবাসীর ক্ষোভের অন্ত নেই। মহাসড়ক, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজে যেতে মূল রাস্তাটিই ভরসা। গ্রামটিতেও একটি হাই স্কুল, একটি কলেজ ও একাধিক মাদ্রাসা রয়েছে।
স্থানীয় কামরুল হাসান জানান, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে রাস্তাটি হয়েছে। কোনো এক অদৃশ্য কারণে এখন পযর্ন্ত কোনোপ্রকার সংস্কার করা যায়নি। অথচ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উঠতে এবং উপজেলায় যেতে এ রাস্তাটিই ভরসা। এ ছাড়া গ্রামে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতেও শিক্ষার্থীদের ভরসা রাস্তাটি।
গ্রামের স্থানীয় মুরব্বী আলী আকবর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের গ্রাম অনেক ঐতিহ্যবাহী। এ গ্রামে অনেক মনীষি জন্ম নিয়েছেন। তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিভা দেখিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাকে বদলে দিয়েছেন এ গ্রারেই সন্তান মাহবুবুল হুদা। যাকে সবাই জননেতা নামে চিনে। তিনি আরো জানান, কামাউড়া গ্রামের সন্তান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. ফরিদুল হুদা।
স্থানীয় কামাল হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি রাস্তাটি যেন পুনর্নির্মাণ করা হয়।
তালশহর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সৈয়দ আলী বলেন, সরকারের কাছে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। মিললেই রাস্তাটির সংস্কার করা হবে। পরে বেশি বরাদ্দ পেলে নতুন করে রাস্তাটি তৈরি করা হবে। তিনি স্থানীয়দের কষ্টে সহানুভূতি প্রকাশ করেন।
এ ব্যাপারে জানতে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু শামাকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।





