দক্ষিণাঞ্চলের কুমিল্লা-৯নির্বাচনী এলাকা মনোহরগঞ্জ-লাকসামকে নিয়ে গঠিত। এই নির্বাচনী আসনের মনোহরগঞ্জ, উপজেলার ডাকাতিয়া নদীর তীরে অবস্থিত ৫নং ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের আওতাধীন আনোয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আর এই বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের অভিযোগ তাদের কোনো খেলার মাঠ নেই। স্কুলটি স্থাপিত হয় ২০১৩ সালে। বিদ্যালয় নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে স্কুলটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ২০১৬ সালে।
বিদ্যালয়টির জমির পরিমাণ ৩০ শতক হলেও আংশিক পুকুরে বাকিটায় নির্মাণ হয়েছে বিদ্যালয় ভবন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১২ জন। এই বিদ্যালয়ের কক্ষ সংখ্যা সর্ব মোট ৪টি, অফিস কক্ষ ১টি, শ্রেণি কক্ষ ৩টি। ছাত্র/ছাত্রীদের অভিযোগ, তাদের ওয়াশব্লক ও কমন রুম নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নেই। খেলার মাঠ না থাকায় বঞ্চিত হচ্ছে তাদের খেলাধুলা থেকে। বিদ্যালয়টিতে সরাসরি অনুসন্ধানে গেলে দেখা যায় এই সকল সমস্যা চিত্র।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এই বিদ্যালয়ে কোনো অফিস সহায়ক নেই। চার জন মাত্র শিক্ষক নিয়ে চলছে এই বিদ্যালয়। এ ছাড়া জানান বিদ্যালয়টির বিভিন্ন সমস্যার কথা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মইনুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়টি ৩০ শতক জায়গার উপর অবস্থিত। সামনের দিক পুকুর থাকায় এবং মালিকআনা সম্পত্তি হওয়ায় খেলার মাঠ করা যাচ্ছে না। তাছাড়া আমি এই ব্যাপারে খোজ খবর নিচ্ছি বিদ্যালয়ের সভাপতি আমিন হোসেন মন্টুর সাথে কথা বলছি আশা করছি। খুব শিগগিরই এই সমস্যার সমাধান হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির পাশে বেদে ও জেলে সম্প্রদায়ের লোক বসবাস করে। স্থানীয়দের অভিযোগ বিদ্যালয়টিতে প্রধান ফটক এবং সংযোগ সড়ক না থাকায় খোলা মেলা ভাবে গরু, ছাগল প্রবেশ করে। এতে নোংরা হয় বিদ্যালয়টি।
এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিন হোসেন মন্টুর সাথে কথা হলে তিনি বাংলাদেশের খবরকে জানান, বিদ্যালয়ের সামনের পুকুর ভরাট করে মাঠ করে দিলে এবং একটি প্রধান ফটক ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ করলে সমস্যার সমাধান হবে। আমি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ক্যাপশন ঃ স্কুলের সামনে মাঠ না থাকায় শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে খেলাধুলা থেকে।





