গাজীপুরের শ্রীপুরে অটো স্পিনিং মিলে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল বলে জানিয়েছেন এ ঘটনায় গঠন করা তদন্তকারী দলের প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য দেন।
বিকালে ঘটনাস্থল গিয়ে দেখা গেছে, এখানো জমাট তুলায় আগুন জ্বলছে। নিরাপত্তা শ্রমিকরা বালতি দিয়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এখনো কারখানায় অবস্থান করছে। তারা পাশের একটি কারখানা থেকে পানি এনে ক্ষণে ক্ষণে জ্বলে ওঠা আগুন নেভাতে কাজ করছে।
শ্রমিকরা জানান, এ কারখানাটি এ অঞ্চলের অনেক পুরাতন। তবে কারখানায় কোনো প্রকার অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ছিল না। পানি সংকটে আগুন নেভাতে অনেক বেশি সময় লেগেছে।কারখানায় ছিল না কোনো প্রশিক্ষিত ফায়ার ফাইটার। নিয়মিত কোনো মহড়া হতো না অগ্নি নির্বাপনের। ফায়ার অ্যালার্ম বিকল হয়ে পড়ে আছে অনেক দিন ধরেই।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. নাজিম জানান, এ কারখানায় কোনো রিজার্ভ পানির ট্যাংক ছিল না। ছিল না কোনো হাইড্রেন ব্যবস্থাও। অগ্নিকাণ্ডের সময় নিরুপায় হয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা পাশের একটি কারখানার রির্জাভ পানির ট্যাংক থেকে পানি এনে আগুন নেভানোর কাজ করে।
তিনি জানান, একটি কারখানায় আকার অনুযায়ী দুই থেকে আড়াই লাখ লিটার পানির রিজার্ভ ট্যাংক থাকা বাধ্যতামূলক।
এ বিষয়ে সর্বশেষ অবস্থা জানতে অটো স্পিনিং মিলের কোনো কর্মকর্তাই বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।
শ্রীপুর থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান, সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন থেকে নিহতের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।





