গাজীপুরের শ্রীপুরে ব্যক্তিমালিকানাধী একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রবেশ ধারেই বিদ্যুতের খুঁটি গেড়ে দিয়েছে ঠিকাদারের লোকজন। পরে এ বিষয়ে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুত সমিতি ২ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। এমন ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত খুঁটি সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন মাওনা জোনাল অফিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।
মাওনা পাবলিক স্কুল এণ্ড কলেজের সামনে এ খুঁটি স্থাপন করা হয়। এ নিয়ে এলাকাবাসি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অভিযোগ করে বলেন পকেট গেইট থেকে মাত্র আধা ফুট দুরত্বে খুঁটি ঘেড়ে চলাচলের পথ বন্ধ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ২০০৯ সালে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পথ চলা শুরু করেন। সুনামের সাথে চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। এ বছরেও খুব ভাল রেজাল্ট করেছে স্কুলটি। সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় ৮৮ জনে ৮৪ জন পাস করে। তিন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে এ স্কুলে। করোনাকালী ছুটি চলছে বিদ্যালয়ে।
তারা জানান, এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে বিদ্যুতের সংযোগ দিতে স্কুলের প্রধান ফটকের সামনেই একটি বড় খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। যা চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এটা চরম অমানবিক অন্যায় কাজ করা হয়েছে। দ্রুত এর সমাধান করতে হবে।
ঠিকাদার সামছুল আলম জানান, স্কুলের পরিচালকের সাথে এ বিষয়ে মীমাংসা করা হয়েছে। চলাচলের পথ স্বাভাবিক করা হবে।
তিনি বলেন খুঁটি স্থাপনের সময় কেউ কোনো বাধা প্রদান করেনি। যদি কেউ অভিযোগ করত তাহলে তখন খুঁটি স্থাপন বন্ধ রাখতাম।
স্কুলের অধ্যক্ষ ও পরিচালক রৌশন হাসান রুবেল বলেন, মঙ্গলবার আমি ছিলাম না। একটি কাজে মাওনার বাইরে ছিলাম। পরে এ সুযোগে স্কুলের গেইটের সামনে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করে ঠিকাদার। রাতে ফিরে এমন দেখে আজ সকালে এ বিষয়ে ময়মনসিংহ (মাওনা জোনাল অফিস) পল্লী বিদ্যুত সমিতি ২ এ লিখিত অভিযোক করেছি। তারা ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মাওনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর ডিজিএম কামাল পাশা অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদার ও স্কুলের কর্তৃপক্ষ বসে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা সমাধানের পথে এগোচ্ছে। তিনি বলেন অনেক সময় কাজের সময় বাধা আসলে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। কাজের সময় বাধা আসলে এমন হতো না। দ্রুত খুঁটি সরিয়ে চলাচলের পথ স্বাভাবিক করা হবে।





