আইন-আদালত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বুলিং’ রোধে হাইকোর্টের রুল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২২ অগাস্ট, ২০২১

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বুলিং’ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে নিষ্ক্রিয়তা ও উদাসীনতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে বুলিং রোধে নীতিমালা বা গাইডলাইন তৈরি করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন রুলে।

পাশাপাশি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বনশ্রী শাখার দশম শ্রেণির ১৬ বছর বয়সী কিশোর আজওয়াদ আহনাফ করিম বুলিংয়ের শিকার হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন হাইকোর্ট। জেলা শিক্ষা অফিসারকে উক্ত ঘটনার তদন্ত করে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।

এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার (২২ আগস্ট) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুলসহ আদেশ দেন।

‘মোটা বলে সহপাঠী ও শিক্ষকের লাঞ্ছনার শিকার মৃত কিশোরের পরিবার যা বলছে’ শিরোনামে ৮ জুলাই বিবিসির একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনটি যুক্ত করে এ বিষয়ে নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানভীর আহমেদ ১৬ আগস্ট একটি রিট করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে তানভীর আহমেদ নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভাষ্য, ঢাকায় অ্যানোরেক্সিয়া ও বুলিমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে কিশোরের মৃত্যুর পর তার পরিবার অভিযোগ করেছে যে, স্কুলের সহপাঠী ও শিক্ষকদের বুলিংয়ের শিকার হওয়ার ফলস্বরূপ এ ঘটনা ঘটেছে।

কিশোরের বাবা মো. ফজলুল করিম বলেছেন, তার ছেলের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়ার কারণে স্কুলে তাকে প্রায় নিয়মিতই বুলিং ও উপহাসের শিকার হতে হতো। পরিবার চায়, স্কুলে বুলিং বন্ধ করার জন্য যেন সরকার ব্যবস্থা নেয়।

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বনশ্রী শাখার শিক্ষার্থী ছিল ছেলেটি। তবে সেখানকার কর্তৃপক্ষ বলছে, বুলিংয়ের কোনো অভিযোগ সম্পর্কে তারা অবগত নয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads