কেরানীগঞ্জ উপজেলার রোহিতপুরে লকডাউনের মধ্যে ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে যাওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে।
গত শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়নের সোনাকান্দা (রহমালির চর) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, আব্দুল আলীর ছেলে সুমন ব্যবসায়ীক কাজে ঢাকায় থাকতো। হঠাৎ যানচলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঢাকার নিজ পান্থপথ বাসায় না গিয়ে বাধ্য হয়ে চলে আসে সোনাকান্দায় নিজ বাপ-ভাইদের কাছে। এতে কিছু সেচ্ছাসেবী ও এলাকার মানুষ তাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। কিন্তু ঢাকায় ফেরার কোন উপায় না থাকায় যেতে পারছিলো না সুমন।
পরে শুক্রবার বিকালে স্থানীয় জালাল মাদবরের ছেলে পিয়ার আলী ও এলাকার সেচ্ছাসেবীরা একই মহল্লার আব্দুল আলীর বাড়িতে গিয়ে তাকে এলাকা ছড়াতে বললে এনিয়ে দুই পক্ষের মাঝে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের শুরু হয়। এসময় পিয়ার আলীর মাথা ফেটে যায়।
এতে পিয়ার আলী তার পরিবারের শতাধিক লোক জড়ো করে আব্দুল আলীর বাড়ীঘর ভাংচুর ও তার ছেলেদের মারধর করে।
এসময় আব্দুল আলীর ছেলে শাহ আলম (১৬), শাহ সুলতান (২৫), শাহ আলী(২৭), এবং শাহ পরান(৩০) মারাত্মক ভাবে আহত হয়।
ভুক্তভোগী শাহ আলীর পিতা আব্দুল আলী জানান, করোনায় সব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার ছেলে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে জানতে পেরে তারা তাকে চলে যেতে বলে। কিন্তু করোনার অযুহাতে পিয়ার আলী তার দলবল নিয়ে আমার বাড়িঘরে হামলা করেছে।
নতুন সোনাকান্দা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক সেখানে গিয়ে সবাইকে সরিয়ে দেই।
শাহ আলীর সাথে পিয়ার আলীর পূর্ব শত্রুতা ছিল। সেই জের ধরে তাদের উপর হামলা হয়েছে বলে ধারনা করেছেন তিনি।
আহতদের স্যার সিলমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখনো কোন পক্ষ অভিযোগ বা মামলা করতে যোগাযোগ করেনি বলেও জানান তিনি।





