টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বন্যার পানি কমতে শুরু করায় যমুনার পূর্ব পাড়ে আবারও ভাঙন শুরু হয়েছে। উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভাল কুটিয়া,খানুরবাড়ী, কষ্টাপাড়া গ্রামে এ ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে হুমকির মুখে বেশ কয়েকটি মসজিদ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়, মন্দিরসহ শত শত বসতিসহ পাকা-আধাপাকা ঘরবাড়ি।
বৃহস্পতিবার হঠাৎ ভালকুটিয়া জামে মসজিদের সামনে ভাঙন শুরু হয় ।পরে শুক্রবারথেকে এলাকাবাসীর উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে প্লাস্টিকের বস্তায় মাটি ভরাটকরে নদীর তীর রক্ষার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় রফিক ভূঞা জানান, নদীতে পানি কমার সাথে সাথে হঠাৎ ভালকুটিয়া মসজিদের সামনে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়। এ সময় সরকারিভাবে তীর রক্ষার কোন উদ্যোগ না নেয়ায় এলাকাবাসীর নিজেদের তহবিল ও স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে এ কাজ করা হয়। করোনাকালীন সময়ে এমনিতেই আয়েরউৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এর মধ্যে শুরু হয়েছেন তুন করে নদী ভাঙন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধিরা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙ্গন রোধে বাঁধ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তার বাস্তবায়ন দেখছে না ভাঙন কবলিত এলাকাবাসী। স্থানিয়রা আরো জানায়, তাদের এলাকায় প্রভাবশালী কোনো জনপ্রতিনিধি না থাকায় এমন দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়সংসদ সদস্য ছোট মনির বলেন, অল্পে সময়ের মধ্যেই ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভাঙনের বিষয়টি শুনেছি, অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য,যমুনা নদীটি গোবিন্দাসী থেকে ৪-৫ কি.মি. দূরে ছিল। দীর্ঘ দিন যাবৎনদী ভাঙ্গন ও নদীর গতিপথ পরিবর্তন, নদী ড্রেজিং না করার কারণে পুরোনো এই জনপদ বিলুপ্তির পথে। কয়েকদিনের ভাঙ্গনে হুমকিরমুখেমসজিদ, মন্দির, প্রাথমিক বিদ্যালয়,উচ্চ বিদ্যালয়, সহশতশতপাকা-আধাপাকা ঘর-বাড়ি।





