যমুনা নদী ভরা যৌবনের ক্ষুধা মেটাতে গিলছে বসতভিটা-ফসলী জমি। আর বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ। মাত্র তিন সপ্তাহের বন্যায় প্রায় দুই শতাধিক বসত-ভিটা ফসলী জমি বিলীন হয়ে গেছে। প্রতিদিন যমুনা গিলছে বসতভিটাসহ ফসলী জমি।
গত শুক্রবার রাতেই চৌহালী উপজেলার খাসপুকুরিয়া এলাকায় ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে ৭-৮টি বসতভিটা। এর আগে এনায়েতপুরের ব্রাহ্মন ও আড়কান্দিতে অন্তত ১০টি বসতভিটা বিলীন হয়ে গেছে। সবকিছু হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা অসহায়ত্বের মধ্যে দিনযাপন করছে।
প্রতিষ্ঠান ও বসতভিটা ভেঙ্গে যাওয়ায় শিশু শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে। অঙ্কুরে ঝড়ে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, বন্যায় দীর্ঘ দুই থেকে তিন সপ্তাহ যাবত বসতিভটায় পানি থাকায় ঘরের খুটি-বেড়া নষ্টসহ আসবাবপত্র পঁচে যাওয়ায় চরম ক্ষতির শিকার হয়েছে বন্যা কবলিতরা।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, চৌহালীর দুই কিলোমিটার অংশে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। আপাতত ১১২ মিটার এলাকায় জরুরি কাজ শুরু করেছে। পর্যায়ক্রম অর্থ বরাদ্দ পেলে পুরো অংশে কাজ শুরু করা হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মেদ জানান,ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপনের কাজ চলছে। কাজ শেষে মন্ত্রণালয়ে ক্ষতিপুরণের আবেদন জানানো হবে। মন্ত্রণালয় থেকে যদি বরাদ্দ দেয় তবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করা হবে।





