গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক প্রতিবন্ধিকে ধর্ষণের অভিযোগে সেনা সদস্য কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। সেই সাথে পুলিশ ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গোপালগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মুকসুদপুর থানার ইনেসপেক্টর তদন্ত আবদুল্লাহ আল মামুন বিশ্বাস জানিয়েছেন মুকসুদপুর উপজেলার বাশবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা সদ্য প্রাক অবসর ছুটিতে (এলপিআ্র) আসা বেঙ্গল রেজিমেন্টর সেনা সদস্য রাকিব হোসেন ওরফে সেন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে এক্ই গ্রামের ২১ বছর বয়সি শারিরিক ও মানষিক প্রতিবন্ধিকে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন প্রতিবন্ধী’র মা (নিলুফা বেগম)।
মামলার রবাত দিয়ে তিনি আরও জানান গত ২৯ আগষ্ট তারিখ দুপুরে সদ্য অবসরে আসা সেনা সদস্য রাকিব হোসেন সেন্টু তার প্রতিবন্ধি মেয়েকে একটি পেয়ারা দিয়ে তাদের গোয়ালঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ৩১ শে আগষ্ট রাতে ওই প্রতিবন্ধি মেয়েটি তার মায়ের কাছে ধর্ষণের বিবরণ তুলে ধরলে ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে একটি লিখিত অভিযোগ থানায় দেয়। তার অভিযোগটি প্রাথমিক ভাবে আমলে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ১ সেপ্টেম্বর রাতে রাকিব হোসেন সেন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। সে ৪ সন্তানের জনক ও বাশরাড়ীয়া গ্রামের মজিদ মুন্সীর ছেলে।
প্রতিবন্ধী’র মা (নিলুফা বেগম) আরও জানান তার মেয়ের বয়স ২১ হলেও সে ছোটবেলা থেকে শারীরিক ও মানষিক প্রতিবন্ধি। ঘটনা ঘটার দুই দিন পরে সে জানায় রাকিব হোসেন সেন্টুকে তাকে পেয়ারা দিয়ে গোয়ালঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা স্থানীয় ভাবে জনপ্রতিধিদের জানালে তারা থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেয়। আমি থানায় এসে মামলা করি। তিনি আরও জানান ধর্ষকদের জমির পাশদিয়ে যাতায়াত করলে তারা পিটাতে আসে, গালিগালাজ করতো।
ধর্ষণ মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই মশিউর জানান এজাহার ভুক্ত একমাত্র আসামীকে গ্রেপ্তার করার পরে উর্ধতন কর্তপক্ষকে অবহিত করি। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গোপালগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের হেফাজতে অভিযুক্ত রাকিব হোসেন সেন্টু জানান, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। এই মামলার অভিযোগকারিরা আমার জমি নস্ট করে যাতায়াত করার বাধা দিলে তারা আমার নামে এই মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তিনি আরও জানান তার ৪ সন্তানের মধ্যে ৩ টিই অত্যান্ত মেধাবি এবং মেয়ে সন্তানপি প্রতিবন্ধি। সে এই ধর্ষণের মত অপরাধের সাথে জড়িত না। তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে।





