ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের মাধবপুরে অংশে মেরামতের নামে চলছে অনিয়ম ও দুর্নীতি। স্বল্প পরিমানের ভিটুমিন, নিম্নমানের পাথরের সিলকোড এবং চলমান কাজের পুরুত্ব নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
প্রায় ৫৪ লাখ টাকার বরাদ্দ দিয়ে ১৪শ মিটার সড়কের মেরামত কাজ চলছে গত ৫ দিন ধরে। স্থান ভেদে সর্বোচ্চ মেরামত কাজের পুরুত্ব ৩০ মিলি এবং সর্বনিম্ন ১২ মিলি কার্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে বলে মেরামত কাজের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন জানিয়েছেন।
খুলনার মোজাহের এন্টারপ্রাইজের নামে প্রাপ্ত কাজের গুণগত মান নিয়ে স্থানীয় জনগনের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মাধবপুর থেকে বেজুড়া পর্যন্ত সড়কের খানাখন্দের স্থানের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভাল অংশগুলোতে যথ সামান্য মালামাল ব্যবহার করে মেরামত করা হচ্ছে। এ যেন তেলের মাথায় তেল দেওয়ার মত।
স্থানীয়রা জানায়, দমাধবপুর থেকে হবিগঞ্জ পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশে রয়েছে হাজারো বিপজ্জনক গর্ত, যেগুলোতে পড়ে ইতোপূর্বে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যান দূর্ঘটনাও ঘটেছে। মরণফাদ গর্তগুলো মেরামতের কোন উদ্যেগ গ্রহণ না করেই সড়কের ভালো অংশ মেরামতের করতে দেখা যাচ্ছে বলেও জানান তারা।
মোটরসাইকেল আরোহী স্থানীয় ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী শেখ তাসাদ্দুক রাজি জানান, সড়কের ভাল ভাল অংশ মেরামতের নামে মোটা অংকের অর্থ ব্যয় না করে ছোট ছোট যানবাহনের জন্য বিপজ্জনক সড়কের দু’পাশের ভাঙ্গা অংশগুলো মেরামত করা জরুরি।
এ ব্যপারে সড়ক ও জনপথ (সওজ)’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সজিব আহম্মেদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, জেলার ২শ ৩০ কিঃ মিঃ সড়ক পথের ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য এ বছর বরাদ্দ রয়েছে ৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৪ লাখ টাকা দিয়ে মাধবপুরের ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের মেরামত চলছে। বড় বরাদ্দ পাওয়া গেলে সড়কের পাশের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করানো যাবে। আপাতত পাশের অংশ মেরামতের কোন ব্যবস্থা নেই। কাজের অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে সরজমিনে এসে তদন্ত করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।





