রাত বাজে নয়টা! ঘরোয়াভাবে বিয়ে সব আয়োজন শেষ। এখন অপেক্ষা কাজী আসার। তারপরেই আইনের তোয়াক্কা না করে সম্পন্ন হবে বাল্য বিবাহের মত জঘন্য কাজ। তবে কাজি আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত পুলিশ।
জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার মরিচা গ্রামে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সী এক মেয়ের সাথে মিরপুর-১০ এর ওয়াহিদ উল্লার ছেলে ইমরান হোসাইন (১৯) এর বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি চলছে। এমন তথ্যর ভিত্তিতে ঘোড়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক ফজলার রশিদের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক খুরশীদ জাহান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক আসমা খাতুন মেয়ের এক নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বর-কনে সহ উভয় পক্ষের অবিভাবকে থানায় নিয়ে আসে।
ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, উপজেলার বলাহার গ্রামের মুতরাজ আলীর বাড়িতে গোপনে বাল্যবিবাহের প্রস্তুতি নিচ্ছিল উভয় পক্ষ। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে কাগজ পত্র যাচাই বাছাই শেষে দেখা যায় বর ও কনে উভয়েই অপ্রাপ্ত বয়স্ক। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে ইউএনও জরিমানা করেন।
ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিউল আলম জানান, বাল্য বিবাহের দায়ে ছেলে পক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং মেয়ে পক্ষকে সর্তক করে দেয়া হয়েছে। গত ৩ মাসে ঘোড়াঘাট উপজেলায় ৫টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে।





