বিরল গাছ দেখে থমকে পথিক

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

বিরল গাছ দেখে থমকে পথিক

  • এম বুরহান উদ্দীন, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ)
  • প্রকাশিত ২৪ মার্চ, ২০২১

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার দুটি বিরল প্রজাতির গাছ দীর্ঘদিন ধরেই পথিকদের নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গাছ দুটি উপজেলার পৌর এলাকার হাতেমপুর শাহি মসজিদের পুকুরের ধারে অবস্থিত। শতবর্ষী এ গাছ দুটিতে প্রতি বছর ফাল্গুনে নতুন পাতা বের হয় যা দেখতে লাল রঙের। চলার পথে সৌন্দর্যপিপাসু পথিকেরা এর সৌন্দর্য অবলোকন করেন।

জানা যায়, গাছগুলোর লাল রঙের পাতা পরে সবুজ রং ধারণ করে। দেখতে অনেকটা গাবগাছের ফুলের মতো। প্রতি বছর ফুল আসে, কিন্তু কোনো ফল ধরতে দেখা যায় না। ফুলের সৌরভে এলাকাটি সুরভিত হয়ে থাকে। মৌ মৌ সুগন্ধিতে পুরো গ্রাম মাতোয়ারা হয়ে পড়ে। গাছের পাতা ও আকার-আকৃতি গাবগাছের মতো হলেও এটি মূলত অন্য প্রজাতির গাছ বলে মানুষ মনে করেন। জনশ্রুতি আছে, এই বিরল প্রজাতির গাছ দুটি মুঘল বাদশা সম্রাট আকবরের গুরু হাতেম শাহ্ ভারতবর্ষ থেকে এনে হাতেমপুর গ্রামে লাগিয়েছিলেন। ঐতিহ্যবাহী শাহি মসজিদটি তিনিই প্রতিষ্ঠা করেন। গ্রামটির নামকরণও তার নামে করা হয়। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক সতিশ মিত্রের ‘যশোর খুলনার ইতিহাস’ বইয়ে এর বিবরণ পাওয়া যায়। তার মাজার শরিফটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads