বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত পাউবো সিন্ধিয়াঘাট রেস্টহাউজ সংস্কার করা হবে: ফারুক খান এমপি

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত পাউবো সিন্ধিয়াঘাট রেস্টহাউজ সংস্কার করা হবে: ফারুক খান এমপি

  • গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৬ অগাস্ট, ২০২০

গোপালগঞ্জে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্মুতি বিজড়িত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিন্ধিয়াঘাট নৌ-রেস্টহাউজটি পুনরুজ্জীবিত করা হবে। জরাজীর্ন ভবনটি সংস্কার করা হবে, ভবনের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হবে, বিভিন্ন ধরনের শোভাবর্ধনকারী গাছ লাগানো হবে। পাশেই নদী তীরে নির্মাণ করা হবে ওয়াকওয়ে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

রোববার বেলা ১১ টার দিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি সিন্ধিয়াঘাট নৌ-রেস্টহাউজ পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের এমনটি নির্দেশনা দেন।

তিনি আগামী এক মাসের মধ্যে জাতির জনকের স্মৃতি বিজড়িত সিন্ধিয়াঘাট নৌ-রেস্টহাউজটি যথাযথভাবে সকল কাজকর্ম সম্পাদন করার জন্য জোর তাগিদ দেন।

প্রেসিডিয়াম সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্মুতি বিজড়িত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিন্ধিয়াঘাট নৌ-রেস্টহাউজটিতে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর আদালতে হাজিরা দিতে এবং সাংগঠনিক সফরে নৌপথে টুঙ্গিাপাড়া থেকে ফরিদপুর যেতেন। মামলার তারিখের আগের দিন বা সাংগঠনিক মিটিংয়ের আগের দিন জাতির জনক টুঙ্গিপাড়া থেকে নৌপথে এমবিআর চ্যানেল হয়ে মুকসুদপুরের সিন্ধিয়াঘাট রেস্ট হাউজে উঠতেন। এখানে তিনি রাত্রীযাপন করতেন। সে সময়ে সিন্ধিয়াঘাট নৌফাড়ির পুলিশ ও স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সারারাত জাতির জনকের পাহারায় থাকতেন। স্থানীয় লোকজনের সাথে ভিবিন্ন বিষয় নিয়ে নানা দিক নির্দেশনাও দিতেন। পরদিন জাতির জনক ওই রেস্টহাউজ থেকে আবার নৌপথে ফরিদপুর গিয়ে মামলায় হাজিরা দিতেন।

তিনি আরো বলেন, আগামী প্রজন্ম যাতে জাতির জনক সম্পর্কে আরো জানতে পারে এবং জাতির জনকের আদর্শ বুকে ধারন করে সামনে এগিয়ে যেতে পারে সেজন্য সিন্ধিয়াঘাট রেস্টহাউটি সংস্কার করতে বলেছি। যেখানে প্রথমে সরকারী জায়গায় বাউন্ডারী দেওয়া হবে। অবৈধ স্থাপনা সমূহ উচ্ছেদ করে সেখানে বিভিন্ন ধরনের শোভাবর্ধনকারী গাছ লাগানো হবে। পাশেই নদীতীরে নির্মাণ করা হবে অকওয়ে। এসব কাজ আগামী এক মাসের মধ্যে সম্পন্ করার জন্য আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের নির্দেশ দিয়েছি।

এ সময় গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মীর শাহিনুর রহমান, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. আতিকুর রহমান মিয়া, সাধারন সম্পাদক রবিউল ইসলাম শিকদার, পাউবো উপ-সহকারী প্রকৌশলী অরুন কুমার চক্রবর্তী, শরিফুল ইসলাম, স্থানীয় গোহালা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য বলেছেন, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অবঃ) মুহাম্মদ ফারুক খান স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করবো। ওই সময়ে সিন্ধিয়াঘাট রেস্ট হাউজে জাতির জনক যে চেয়ারে বসতেন বা যেসব জিনিস ব্যবহার করতেন সেসকল জিনিস আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। সেগুলি ওই রেস্টহাউজে জাতির জনকের স্মৃতি হিসেবে রেখে দেওয়া হবে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads