কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মৌলভী বিল্লাল হোসেন (২৬) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল সোমবার রাতে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মৌলভী বিল্লাল হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে আজ মঙ্গলবার ওই শিক্ষক বিল্লাল হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রথম শ্রেণির ওই মাদ্রাসা ছাত্রী উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউপির বাসিন্দা। অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক বিল্লাল খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার ১নং মানিকছড়ি ইউপির চেংগুছড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। সে নাঙ্গলকোট উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক।
মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই শিশুটি প্রতিদিন বাড়ি থেকে আসা যাওয়া করে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন। গত সোমবার বিকেল চারটার দিকে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসার ভেতরে শ্রেণী কক্ষের পিছনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে করে বিল্লাল। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে শিশুটি ভয়ে চিৎকার করতে থাকলে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তৎক্ষণাৎ বিষয়টি অন্য শিক্ষককে জানায়। পরে তারাসহ স্থানীয় লোকজন বিল্লালকে আটক করে থানা পুলিশে দেয়।
সোমবার রাতে নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী মাদ্রাসাছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা ওই শিক্ষককে অভিযুক্ত করে নাঙ্গলকোট থানায় একটি এজাহার জমা দেন।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্রীর পরিবার থানায় এজাহার দিয়েছে। ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।





