সারা দেশ

নওগাঁয় উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধ ঘুষ বাণিজ্যর অভিযোগ

  • ''
  • প্রকাশিত ৪ মার্চ, ২০২৪

এম এ রাজ্জাক, নওগাঁ  প্রতিনিধি:

নওগাঁর মান্দায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর উপ-সহকারি প্রকৌশলী নজরুল ইসলামর বিরুদ্ধে হাট বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের ৫টি কাজের বিল পাস করিয়ে দিতে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযাগ উঠেছে। ঘুষ না দিলে কাজের মান নিয়ে তুলে নানা প্রশ্ন, বিভিন্ন ফন্দি ও তালবাহানা করে লাল ফিতায় বন্দী থাকে প্রকল্পের ফাইল। সম্প্রতি ঘুষ গ্রহণের এমন অভিযোগ উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যকর কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, ২০২৩-২৪অর্থ বছরের হাট বাজার উন্নয়ন খাতের বরাদ্দকৃত অর্থ হতে গৃহীত প্রকল্পের মাধ্যমে কশব ইউনিয়নের মিঠাপুর বাজার, হাট বাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫টি প্রকল্পের কাজ সম্পন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে মিঠাপুর তরকারি বাজারের রাস্তা সি সি করুন, ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণ, ২ লাখ টাকা ব্যয় ল্যাট্রিনের সেফটি ট্যাংক ও টিউবওয়েল স্থাপন , ১ লাখ ৪১ হাজার টাকা ব্যয়ে পাকা রাস্তা হতে নতুনে শেষ প্রযন্ত ড্রেন নির্মাণ, ৩০ হাজার ৯৭৫ টাকা ব্যয় টয়লেট ও ড্রেন পরিষ্কার কাজ সম্পুর্ন করা হয়। প্রতিটি প্রকল্পের বিল পাশ করত ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে ঘুষ গ্রহণ করেন নজরুল ইসলাম। এমন অভিযাগ করেন প্রকল্পর পিআইসি ও ইউপি সদস্যরা।

ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ অভিযোগ করে বলেন, প্রকল্পর বিল পাস করতে আমার কাছ ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন উপ-সহকারি প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম। ঘুষের টাকা না দেওয়ায় কয়ক দিন হয়রানি করছেন। পরে ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে বিল পাস করেন। আরও এক ইউপি সদস্য বলেন, সব কাজর পাস অনুযায়ী টাকা কেটে নেয় নজরুল ইসলাম।

নাম প্রকাশ অনিছুক এক ঠিকাদার জানান, এ ক্যাটাগরির কাজ করার পরেও ঘুষ দিত হয় তাকে। ঘুষ নেওয়ার মাধ্যম বিল পাস করে দেওয়া নজরুলর পুরানো অভ্যাস। এমনকি চলমান কাজ দেখভালের জন্য গেলও ঘুষ দিতে হয় তাকে। টাকা দিলেই কাজ ফাইনাল আর না দিলে সমস্যার শেষ নেই। তার এমন কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ ঠিকাদারা। তিনি আরও বলেন, এতে করে এমন কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন এতে অফিসারে মান ক্ষুন হচ্ছে। পূর্বের কর্মস্থল পত্নীতলা উপজলায় ঘুষ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযাগ। সেখান থেকে তাকে বদলি করা হয়েছে এমন অভিযাগ করন তিনি।

এদিকে কশব ইউনিয়ন পরিষদর চেয়ারম্যান এস এম ফজলুর রহমান বলন, প্রতিটি প্রকল্প ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে বিষয়টি নিশ্চিত করছেন ইউপি সদস্যগণ। সহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের এমন ঘুষ কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ চেয়ারম্যান ও মেম্বারগন।

অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ করছেন তা মিথ্যা ও বানোয়াট, এই বলে তিনি এড়িয়ে যান।

এ ব্যাপারে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী শাইদুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত আমার কাছে কেউ কোন অভিযাগ করেনি এবং বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযাগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads