কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
মঙ্গলবার (১০ই মার্চ) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।
সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, চলতি অর্থ বছরের সাত মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপির বাস্তবায়ন হয়েছে ৩৭ শতাংশ যা, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ শতাংশ কম।
মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস নিয়ে আজ তেমন কিছু বলেননি। তবে সকলকে সাবধান থাকতে বলেছেন। বেশি করে ফল খেতে বলেছেন।
মন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর কোনো আবেগের জায়গা নয়। এটা প্রয়াজন। এ প্রকল্পের কিছু ব্যয় বেশি ধরা আছে। এক্ষেত্রে সব ব্যয় সরলীকরণ করলে হবে না। এর যথেষ্ট কারণও আছে। যেমন পায়রা ও মাতারবাড়ির জমির কনফিগারেশন এক নয়। তাছাড়া মাতারবাড়ীর সড়ক কোনো সাধারণ সড়ক হবে না। এগুলো মূলত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে। পায়রা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি জানান, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শীর্ষেন্দুর দেওয়া চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই সেতুটি দ্রুত হয়েছে। সেজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। তবে এমনিতেই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সব নদীতে যেন সেতু হয়। সে হিসেবে পায়রার নদীর ওপরও সেতু হতো। কিন্তু শীর্ষেন্দুর চিঠি পাওয়ায় সেটি ত্বরান্বিত হয়েছে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্ব করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিশ্বের বাইরে না। সুতরাং আমাদের এখানেও প্রভাব পড়বে। তবে কতটুকু প্রভাব পড়বে সেটি এখনো বলা যাচ্ছে না। কিন্তু ইতোমধ্যেই চীন থেকে অনেক ব্যবসা দেশে আসতে শুরু করেছে। এটি পজেটিভ দিক।
মন্ত্রী আরও জানান, মাতারবাড়ী বন্দর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।





