দুর্ঘটনা

তিস্তায় নৌকা ডুবে নিখোঁজ ৩ জনের লাশ উদ্ধারঃ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১১ জুলাই, ২০২৩

এস, কে সাহেদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
* নৌকাডুবির কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসন।
* অতিরিক্ত যাত্রী, শিশু মাঝি, নষ্ট ও পুরাতন ইঞ্জিন ব্যবহার।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় তিস্তা নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট টিএমএ মমিনকে প্রধান করে এক সদস‌্য বিশিষ্ট ওই কমিটি গঠন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্ল‌্যাহ।
তিন দিনের মধ‌্যে এ তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিতে নিদের্শ দেয়া হয়েছে। এ দিকে নিখোঁজ ৩জনের মরদেহ উদ্ধার কয়েছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও রংপুর থেকে আসা ডুবুরি দল।
গত রোববার সকাল ৯টায় উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের ধুবনী গ্রামের তিস্তা নদীতে এ নৌকাডুবির ঘটনাটি ঘটে।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- হাতীবান্ধা উপজেলার সিঙ্গিমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ গড্ডিমারী গ্রামের মৃত দমেজ উদ্দিনের ছেলে ফজলুল হক (৪৫), একই এলাকার মৃত জুলাই শেখের ছেলে আহিদুল (৫০) ও মৃত খাদু শেখের ছেলে শফিকুল (৪৫)।
প্রত‌্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, ঘাট ইজারাদারের অবহেলা, ডিঙ্গি নৌকা, অতিরিক্ত যাত্রী ও শিশু মাঝি, নষ্ট ও পুরাতন ইঞ্জিন (শ্যালো মেশিন) ব্যবহার নৌকাডুবির মূল কারণ। তারা এ ঘটনায় ইজারাদার ও মাঝিকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্ল‌্যাহ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন দুলু জানান, রোববার সকালে ১৩ জন শ্রমিক নিয়ে একটি ছোট ডিঙি নৌকায় কাজের উদ্দেশ্যে তিস্তা নদী পার হওয়ার চেষ্টা করে। পরে মাঝ নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রবল স্রোতে নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় ১০জন শ্রমিক সাঁতরে পাড়ে উঠলেও বৃদ্ধ ৩জন শ্রমিক পানিতে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয়।
উপজেলা ফায়ার স্টেশন অফিসার মনির হোসেন বলেন, ঘটনার দিন বিকাল ৩টায় নিখোঁজ শফিকুল ইসলাম, রাত ৮টায় ফজলুর রহমান এবং সোমবার বিকাল ৪টায় নিখোঁজ আহেদুল ইসলামসহ ৩জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্ল‌্যাহ বলেন, এ ঘটনায় ঘাট ইজারাদারের কোনো অবহেলা আছে কি না তা তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী আইনী ব‌্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads