ঝুঁকি মোকাবেলায় গবেষণা ইনস্টিটিউট গড়তে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব

ছবি : সংগৃহীত

জাতীয়

ঝুঁকি মোকাবেলায় গবেষণা ইনস্টিটিউট গড়তে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৫ মার্চ, ২০২০

করোনা ভাইরাসসহ জনস্বাস্থ্যের বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবেলায় দক্ষিণ এশিয়ায় একটি বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রোববার বিকেলে করোনা মোকাবেলায় সার্ক নেতাদের ভিডিও কনফারেন্সে এই প্রস্তাব দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো যেন একসঙ্গে কাজ করতে পারে, সেজন্য একটি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, যেন ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমরা একসাথে কাজ করতে পারি। নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারি। বাংলাদেশ এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে, যদি আপনারা একমত হন।

তিনি আরও বলেন, “একটি ফোরাম গঠন করা যেতে পারে। আমরা আমাদের বিশেষজ্ঞদের শেয়ার করতে প্রস্তুত আছি। লজিস্টিক সাপোর্ট দেব, যদি প্রয়োজন হয়।”

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে কার্যত নিষ্ক্রিয় এই আঞ্চলিক ফোরামের ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ছাড়া অন্য সব সদস্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা।

ভিডিও কনফারেন্সে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, করোনা মোকাবেলায় আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতাই মূল নিয়ামক।

বাংলাদেশে কোভিড-নাইনটিনের প্রভাব ও প্রতিরোধে নানা তৎপরতা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ চায় সংকট মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার সমন্বিত প্রয়াস। প্রধানমন্ত্রী একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট গড়ারও প্রস্তাব দেন এ সময়।

এ মহামারী মোকাবিলায় সার্কভুক্ত দেশগুলোকে সহযোগিতা ও সমন্বিত হয়ে কাজ করতে হবে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

বিশেষ এই সভার উদ্যোক্তা নরেন্দ্র মোদি বললেন, সবাই কমবেশি ঝুঁকিতে। তাই আতঙ্ক না বাড়িয়ে প্রয়োজন সতর্কতার।

নরেন্দ্র মোদী বলেন, এ সঙ্কটপূর্ণ সময়ে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিভ্রান্তি নয়, সমন্বয়; আতঙ্ক নয়, প্রস্তুতি- এ মূলমন্ত্র নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। কোভিড-১৯ শনাক্ত করার যন্ত্র ও অন্য সরঞ্জামসহ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে আমরা র‍্যাপিড রেসপন্স টিম গঠন করছি। সেসব প্রস্তুত থাকবে, আপনাদের প্রয়োজন হলে, তা সরবরাহ করা হবে। প্রয়োজনে অনলাইনে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতেও পড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের বাণিজ্য। এ ক্ষতি সামলাতে কী করণীয় সে বিষয়ে এখনই আমাদের বিশেষজ্ঞদের চিন্তা করতে হবে। এ অঞ্চলের বাণিজ্য থেকে কোভিড-১৯ এর প্রভাব কাটাতে সার্কভুক্ত দেশগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’

কোন দেশের পক্ষে একা প্রাণঘাতী এই ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় জানিয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতার আহ্বান জানান ভিডিও করফারেন্সে অংশ নেয়া সার্ক শীর্ষ নেতারা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads