শাহজাহান খান, নীলফামারী প্রতিনিধি:
সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক, প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান এমপি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান বয়ে এনেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা, ব্যাংক লোন, বীর নিবাস এসব প্রধানমন্ত্রীর অবদান। আমরা সবচেয়ে সম্মান বোধ করি মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা। যা একজন মুক্তিযোদ্ধার জীবনে গৌরবের বিষয়।’
সোমবার (২৯ মে) দুপুরে সৈয়দপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টারে সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা নীলফামারী জেলা কমিটি আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জয়বাংলা শ্লোগান, এখন জাতীয় শ্লোগান, জিয়াউর রহমান ওই শ্লোগান নিষিদ্ধ করেছিলেন। শিঘ্রই প্রতিটি বিভাগে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ হবে। এরপর ঢাকায় জাতীয় সমাবেশ। ওই সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের সকল সড়ক রাস্তঘাট, সেতু মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের নামে নামকরণ করা হবে এনিয়ে আমরা কাজ করছি।’
তিনি উল্লেখ করে বলেন, ‘মার্কিন ভিসা নীতি আওয়ামী লীগের জন্য উদ্বেগের কারণ নয়। বরং যারা নির্বাচনে অন্তরায় সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের জন্য ভীতি ওই ভিসা নীতি।’
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহজাহান খান আরো বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ২০০৭ সালে মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন। তখন মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলেছিলো, তারেক রহমান একজন ভয়ংকর মানুষ। তাঁকে আমেরিকার ভিসা দেওয়া হয়নি। ৭৫‘ এ জাতির জনককে স্ব-পরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন।’
জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন বাবুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা ওসমান আলী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নীলফামারী পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন, পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা সালাহউদ্দিন বেগ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কান্তি ভূষন কুন্ডু, সাবেক সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এম আমিনুল হক প্রমুখ।
তৈয়ব আলী সরকার নীলফামারী।





