জাফলংয়ে পর্যটকদের পেটালেন স্বেচ্ছাসেবকরা 

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

জাফলংয়ে পর্যটকদের পেটালেন স্বেচ্ছাসেবকরা 

  • প্রকাশিত ৫ মে, ২০২২

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি

সিলেটের জাফলং পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটক রশিদ ক্রয়কে কেন্দ্র করে পর্যটকদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে টিকেট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাফলংয়ের সংগ্রাম বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, জাফলং পর্যটক স্পট থেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পর্যটক খাত থেকে উত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারকে আরো শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসন ও গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন কর্তিক পর্যটকদের কাছ থেকে জনপ্রতি দশ টাকা মূল্যে টিকেট ব্যবস্থা চালু করা হয়। পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে জাফলং টুরিস্ট পুলিশ ও টিকেট  কাউন্টারে সেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেন জেলা ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন।

পর্যটক ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায় টিকেট কাউন্টারে নিয়জিত স্বেচ্ছাসেবকরা দেশের দূরদূরান্ত থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মাঝেমধ্যেই শারীরিক ও মানষিকভাবে হেনস্থা করে তারা। বেড়াতে আসা পর্যটক মারপিট ও হেনস্থা করা হয়। 

কাউন্টার কর্মী ও গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ণা গ্রামের রাখাল চন্দ্র দাসের ছেলে লক্ষ্মণ চন্দ্র দাস ও মধ্য জাফলং ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সেলিম আহমেদ।

স্থানীয় ও ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি পরিবার জাফলংয়ে বেড়াতে আসে। দুপুরের দিকে তারা জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় যাওয়ার জন্য সংগ্রাম বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন প্রবেশ মুখের কাউন্টারের সামনে যায়। এ সময় কাউন্টারে দায়িত্বরত কর্মীরা তাদের কাছে প্রবেশ ফি বাবদ ১০ টাকা করে দাবি করে। তখন পর্যটকরা টাকা দিতে খানিকটা দেরি করলে কাউন্টারে দায়িত্বরত কর্মী সেলিম ও লক্ষ্মণ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের লাঠি দিয়ে মারপিট করে। এ সময় এক নারীসহ আগত তিন পর্যটক আহত হয়।

গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তাহমিলুর রহমান জানান, পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফি নিয়ে পর্যটক এবং কাউন্টার কর্মীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা ঘটে গেছে। যা খুবই দুঃখজনক। এ  ঘটনায় জড়িত দুই কাউন্টার কর্মীকে বরখাস্ত এবং পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads