জঙ্গি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে ১৩ জেলার পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দিয়েছেন ডিআইজি হাবিবুর রহমান।
আজ সোমবার সেগুনবাগিচার ঢাকা রেঞ্জ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ঢাকা রেঞ্জের ক্রাইম কনফারেন্সে তিনি এ নির্দেশ দেন।
ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেছেন, জঙ্গিবাদ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে ইতোমধ্যে সুফল পাওয়া গেছে। যত বেশি বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা যায় ততই ভালো।
তিনি বলেন, বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার আগ্রহী বহু মানুষ আছে প্রত্যেক জেলায়। তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে-তাদের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা এবং এর কুফল সম্পর্কে জানাতে হবে।
সভায় ১৩ জেলার ৯৬ থানার জুলাই মাসের অপরাধ পর্যালোচনা করা হয়। পর্যালোচনায় দেখা যায়, জুলাই মাসে ঢাকা রেঞ্জে ৩ হাজার ৬৪ মামলা হয়েছে। যা জুন মাসের চেয়ে ৩৭টি বেশি। এ সময় মাদক মামলা হয়েছে ১ হাজার ৫৭৭টি। যা জুন মাসের তুলনায় ২২৭টি বেশি। অস্ত্র উদ্ধার খাতে মামলা হয়েছে হয়েছে ৭টি। যা গত জুন মাসের চেয়ে ৫টি কম।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জনগণের আস্থা অর্জনে অগ্রণী ভুমিকা পালনের জন্য সভায় নারায়নগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদকে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার এবং রাজবাড়ি জেলার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিমকে শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়াও ফোর্সদের কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে ৩ জন চৌকিদারসহ ২৬ জন পুলিশ কর্মকার্তাকেও পুরস্কৃত করা হয়।
সভায় মামলা দ্রুত নিস্পত্তি করে দোষী অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার উপর গুরুত্বারোপ করে ডিআইজি বলেন, আপনারা যত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন সাধারন মানুষ ততই আপনাদের আস্থায় নেবে। মানুষ আপনাদের কাছে টানবে-বন্ধু মনে করবে।





