কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধি :
নীলফামারী-৪ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা শেষে ভোটের অপেক্ষায় ভোটাররা। ভোট যুদ্ধে মাঠে তিন প্রার্থীর টক্কর চলেছে সমানে সমান। কেউ কাউকে ছাড় দিতেও নারাজ। এ আসনটি জাতীয় পার্টির দূর্গ খ্যাত। এবার সেই আসনেই লাঙ্গল পড়েছে চ্যালেঞ্জের মুখে। অন্যদিকে কাঁচি ও ট্রাক রয়েছে দাপুটে অবস্থানে। তবে সংসদীয় জোটভূক্ত সমঝোতার আসনটিতে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিক প্রার্থীর জয়ে আশাবাদি স্থানীয় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ। এদিকে ভোটাররা ঝুকঁছে কাঁচি ও ট্রাক প্রতিকে। তাদের আকাংখা নতুন মুখ যাতে নির্বাচিত হয়। এ আসনে তিন প্রার্থীই তারা তাদের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
নীলফামারী-৪ আসনটি সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনে রয়েছে ৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৭ জন ভোটার। আসনটির সৈয়দপুরে ১টি পৌরসভা, ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নিয়ে ভোট কেন্দ্র ৯১টি রয়েছে। এ উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৩ শত ৪৮। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৮ হাজার ২ শত ৪৪ ও মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৭ হাজার ১ শত। এছাড়া এ উপজেলায় রয়েছে হিজড়া ভোটার ৪ জন। অপরদিকে কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৭৮টি। এখানে ভোটার সংখ্যা রয়েছে ২লক্ষ ১০ হাজার ৭ শত ৩৯। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৫ হাজার ৬ শত ও মহিলা ভোটার রয়েছে ১ লক্ষ ৫ হাজার ১ শত ৩৮। এ উপজেলায় রয়েছে হিজড়া ভোটার ১ জন।
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ দিনে হাট-বাজার, অলি-গলি, চায়ের দোকান, পাড়া-মহল্লা সর্বত্র ভোটের উৎসব দেখা গেছে। প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার, অলি-গলিতে হয়েছে নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে মিছিল-শোডাউন। নেতা, কর্মী, সমর্থক, ভোটারদের মাঝে দেখা দিয়েছে ভোট উৎসবে। যেখানেই মানুষজন জমায়েত হচ্ছে সেখানেই চলছে ভোট নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষন। বিশ্লেষন করে কেউ কেউ বলছে- কার খাছি খাছি ভোট দিমো এবার কাঁচি’ত। অন্যদিকে কেউ কেউ বলছে- জায়গার আম ট্যাংগায় ভাল, তাই হামরা ভোট দিমো লাঙ্গলত। আবার কেউ কেউ বলছে- সবার ভাইজান, হামার ভাইজান, তাই হামরা এবার ভোট দিমো ট্রাক মার্কায়। উৎসবমূখর এরকম পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় লাঙ্গল, কাঁচি ও ট্রাক প্রতিকের প্রার্থীও বসে নেই। তারাও বিভিন্ন পথসভায় তাদের প্রতিশ্রæতিমূলক বক্তব্য দিয়ে ভোটের মাঠ সরগরম করে তুলেছে।
সরগরম ভোটের মাঠে ভোটারদের মতে এগিয়ে আছে জাপার পদ থেকে সদ্য অব্যাহতি পাওয়া কাঁচি প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। তিনি ভোটের মাঠে দাপুটে অবস্থানে রয়েছেন। এ শিল্পপতির দান-খয়রাতসহ মানুষের পাশে থাকার বেশ সুনাম রয়েছে। এছাড়া রয়েছে তার ব্যক্তি ইমেজ। এ দু’টিকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন। তিনি কাঁচি মার্কায় ভোট চেয়েছেন। ভোটারদের একরকম মন জয় করে নিয়েছেন এ প্রার্থী। শিল্পকারখানা স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও রয়েছে তার খ্যাতি। এ আসনে কাঁচি প্রতিকের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ভোটারদের মুখে মুখে শুধুই কাঁচি আর কাঁচি।
এদিকে ভাইজান খ্যাত সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকছেদুল মোমিনও ভোটের মাঠে চোখ রাঙ্গাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতিক চেয়ে না পেয়ে তিনি ট্রাক প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে তার নিজস্ব একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় নিজ দলীয় ভোটারাও তাকে ভোট দিবে বলে তার নেতাকর্মীরা মনে করছে। এছাড়া আওয়ামীলীগের একাংশ তার পক্ষে কাজ করছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। ফলে ভোটের মাঠে এ প্রার্থীও রয়েছে দাপুটে অবস্থানে। এ প্রার্থীও ভোটের মাঠে শক্ত লড়াইয়ে আছে।
অন্যদিকে এ আসনে গত ২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত প্রার্থী আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপি নির্বাচিত হলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেখা দিয়েছে ভিন্ন ইমেজ। জাতীয় পার্টির দূর্গ খ্যাত এলাকায় জাপা নেতা শিল্পপতি সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক কাঁচি প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় জাপার ভোট ভাগাভাগি হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের সাথে ভুল বোঝাবুঝির কারণে অনেক নেতা-কর্মীই কাঁচি ও ট্রাক প্রতিকের ভোট করায় বেকায়দায় পড়েছে জাপা মনোনীত এ প্রার্থী। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাথে সম্প্রতি ভুল বোঝাবুঝির অবসান হলে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশ প্রত্যক্ষভাবে এ প্রার্থীর পক্ষে ভোটের মাঠে প্রচার প্রচারণা করেছে। এ আসনে লাঙ্গল প্রতিকের ভোট ব্যাংক থাকায় এ প্রার্থী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও লড়াকু অবস্থানে আছে বলে নেতা, কর্মী, সমর্থক ও ভোটাররা মনে করছেন।
গত নির্বাচনে জাপার মনোনীত প্রার্থী বর্তমান সাংসদ আহসান আদেলুর রহমান আদেল বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকায় না আশা, দৃশ্যমান উন্নয়ন না হওয়া, এ আসনের লোকজনের খোঁজ খবর না নেয়ার অভিযোগ করছে ভোটাররা। এছাড়া তার নিজ ইউনিয়ন মাগুড়ার উন্নয়ন ছাড়া অন্য এলাকার উন্নয়ন না করারও অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি বিভিন্ন পথ সভা, নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় তার বক্তব্যে এসকল অভিযোগের উত্তর দিয়েছেন। একটি বইয়ে উন্নয়ন চিত্র ফুটে তুলেছেন, যা ভোটারদের হাতে হাতে দিয়েছেন তিনি। আওয়ামী লীগ ও জাপার ভোটে জয়ে আশাবাদী তার নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।
ভোটারদের মতে- কাঁচি প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক এ তিন প্রার্থীর মধ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে। কাঁচি প্রতিকের সূর সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে ভোটাররা কাঁচি প্রতিকের সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের জয়ের সমূহ সম্ভাবনা দেখছেন। অপরদিকে ভোটাররা স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতিকের মোখছেদুল মোমিনকেও জয়ের তালিকায় রাখছেন। লাঙ্গলের ভোট ভাগ হওয়ার যে আশংকা দেখা দিয়েছে, সে সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ট্রাক প্রতিকের জয়ের সম্ভাবনাও বাদ দিচ্ছেন না ভোটাররা। অন্যদিকে ভোটারদের একটি অংশ বলছে এ আসনটি জাপার দূর্গ তাই লাঙ্গলকে বাদ দেয়া ঠিক হবে না। লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী আহসান আদেলুর রহমান আদেল শেষ মূহুর্তে আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে সিংহভাগ ভোট দখলে রাখতে পারেন। ফলে তারও জয় হতে পারে। তবে অনেক ভোটারই বলছে লাঙ্গলের এবারের ভোটে জয়টা অত সহজ হবে না। কারণ দু’ জন শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন।
কাঁচি প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের ভোট পরিচালনা কমিটির সদস্য ও জাতীয় ছাত্র সমাজের নেতা শাকিলসহ অন্য নেতারা বলেন- দলমত নির্বিশেষে কাঁচি প্রতিকের সিদ্দিকুল ভাইয়ের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ গণজোয়ার শেষ পর্যন্ত থাকলে কাঁচি প্রতিক বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবে। জয়ের ব্যাপারে আমরা শতভাগ আশাবাদি।
ট্রাক প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোখছেদুল মোমিনের নির্বাচনী এজেন্ট ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি বাবু ফনিভূন মজুমদার বলেন- যেখানেই যাচ্ছি শুধু ট্রাক আর ট্রাক ধ্বনি শুনছি। ট্রাক প্রতিকের আমাদের প্রার্থীর জয়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন বাবুল বলেন- জাতীয় পার্টির সাথে সংসদীয় জোটভূক্ত হওয়ার কারণে জননেত্রী এ আসন জাপাকে ছেড়ে দেয়। ফলে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা, শ্রদ্ধা, দলের প্রতি ভালবাসা ও দেশের স্বার্থে আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেই। সংসদীয় জোটভূক্ত হওয়ার কারণে এ আসনে আওয়ামী লীগের যে ভোট ব্যাংক রয়েছে, সে ভোট ব্যাংক যুক্ত হবে লাঙ্গল প্রতিকে। ফলে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির ভোটে এ আসনে লাঙ্গল প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ের দ্বার উন্মচিত হয়েছে। আগামী ৭ তারিখ নির্বাচনে ব্যাপক ভোটে আমাদের জোটভূক্ত প্রার্থীর জয় হবে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে লাঙ্গল, কাঁচি ও ট্রাক প্রতিকের ভোট করছে এতে জাপা প্রার্থীর জয়ের পথে প্রতিবন্ধকতা হতে পারে বলে ভোটাররা মনে করছে এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন- আমাদের নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে লাঙ্গল, কাঁচি ও ট্রাক প্রতিক প্রার্থীর হয়ে ভোট করছে। তবে সংসদীয় জোটভূক্ত’র ম্যাসেজটি আমরা নেতাকর্মীসহ অঙ্গসংগঠনগুলো দিয়েছি। ফলে আমাদের অনেক নেতাকর্মীরা লাঙ্গল প্রতিকে চলে এসেছে। বাকী নেতাকর্মীরাও চলে আসবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান বলেন- আমরা আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি সংসদীয় আসন জোটভূক্ত। এ আসনে লাঙ্গল প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হবে। অপর এক প্রশ্নে তিনি বলেন- জাতীয় পার্টির সাংসদ আহসান আদেলুর রহমান আদেল গত পাঁচ বছরে ভূলক্রটি করেছে। আমরা দলীয়ভাবে তার সাথে কথা বলেছি। তিনি আবারও এমপি নির্বাচিত হলে আগামীতে সে পূণরাবৃত্তি করবে না বলে কথা দিয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির আহŸায়ক রশিদুল ইসলাম বলেন- এ আসনটি জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। এ আসনে জাতীয় পার্টির ব্যাপক ভোট রয়েছে। তাই আমাদের প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত। লাঙ্গল প্রার্থীর স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ভোটারদের তোপের মুখে পরা এবং ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন- তোপের মুখে পরার বিষয়টি মিথ্যা। তবে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি সত্য। তিনি বলেন- আমাদের প্রার্থী ৫ বছর এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এসময় ছোট ভূলক্রটি করতে পারে, তাই ভোটারদের কাছে সে ভূলক্রটি বিষয়ে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। তবে আমাদের প্রার্থীর সুনাম রয়েছে। ভোটাররা ভোটযুদ্ধে আমাদের প্রার্থী ও লাঙ্গল প্রতিকে ভোট দিয়ে জয় করাবে।
স্থানীয় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা দু’ দলে বিভক্ত হয়ে কেউ লাঙ্গল প্রতিকের আবার কেউ সাবেক জাপা নেতা কাঁচি প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় বর্তমান সাংসদ ও জাপার লাঙ্গল প্রতিক প্রার্থীর জয়ে চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে কি না প্রশ্ন করা হলে উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব রশিদুল ইসলাম রশিদ বলেন- আমাদের লাঙ্গল প্রতিক প্রাথীর্র চ্যালেঞ্জতো রয়েছে। পাশাপাশি বিভক্ত হওয়ায় জয়ের প্রতিবন্ধকতাও হয়েছে। তবে ভোটারদের মুখে মুখে লাঙ্গলের জোয়ার উঠেছে। ফলে ভোটাররা আমাদের লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত করবো।
কাঁচি প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেন- আমাকে ভোটাররা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে কিশোরগঞ্জে শিল্পকারখানা স্থাপন, বেকারত্ব দূরকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কিশোরগঞ্জে একটি পৌরসভায় রুপান্তর করবো। এছাড়া শিক্ষানগরী সৈয়দপুরের মান উন্নত করতে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ সৈয়দপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাজ তরান্বিত করা হবে। কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুরে পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়ন করা হবে। যাতে এ আসনটি একটি স্মার্ট আসনে রুপান্তরিত হয়। এ প্রার্থী মনে করে ৭ তারিখ ভোটাররা তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবে। আমি বিপুল ভোটে জয়ী হব ইনশাআল্লাহ।
ট্রাক প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোখছেদুল মোমিন বলেন- ভোটে লড়াই হবে। তবে আমার ট্রাক প্রতিকে সাধারণ ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট বিপ্লব ঘটাবে। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী ও সাংসদ আহসান আদেলুর রহমান আদেলের মুঠোফোনে কয়েকবার কল দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ আসনে ৭ জন প্রার্থী রয়েছেন তারা হল জাতীয় পার্টি মনোনীত আহসান আদেলুর রহমান আদেল (প্রতিক লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক (প্রতিক কাঁচি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোখছেদুল মোমিন (প্রতিক ট্রাক), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন মনোনীত এম সাজেদুল করিম (প্রতিক নোঙ্গর), তৃণমুল বিএনপি মনোনীত ড. আব্দুল্লাহ আল নাসের (সোনালী আঁশ), জাসদ মনোনীত আজিজুল হক (মশাল) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি মনোনীত আব্দুল হাই সরকার (আম)।





