বর কনে দুই পক্ষের মধ্যে পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল আগামী সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বিয়ে অনুষ্ঠানের। এ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে দু'পক্ষ শেষ করেছিল সব প্রস্তুতি। আজ রোববার রাতে বর এবং কনের বাড়িতে মেহেদী অনুষ্ঠানের কথা ছিল। বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে দুপুরে কনের বাড়িতে গিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা তথ্য কর্মকর্তা মাসুদা আক্তার।
এ সময় দু'পক্ষের অভিভাবকদের ইউএনও কার্যালয়ে নিয়ে এসে আর বাল্য বিয়ে দিবে না মর্মে মুচলেকা নিয়ে পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উত্তর ঘুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
চকরিয়া উপজেলা তথ্য কর্মকর্তা মাসুদা আক্তার বলেন, রোববার সকালে গোপন সূত্রে খবর আসে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উত্তর ঘুনিয়া এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে ও দিগরপানখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীর সঙ্গে সোমবার বাল্য বিয়ের হতে যাচ্ছে একই এলাকার বদিউল আলমের ছেলে মোহাম্মদ সাগরের সাথে।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান স্যারকে জানালে তিনি আমাকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দেন।





