দূরের জেলা থেকে কাশ্মীরি কুল গাছের চারা সংগ্রহ করে রোপণের পর কুল চাষে সফলতা পেয়েছেন জেলার গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর গ্রামের এক কৃষক।
খাঞ্জাপুর গ্রামের কৃষক ফেরদাউজ হাওলাদার জানান, ছোটোবেলা থেকেই কৃষিকাজের প্রতি তার একটা আগ্রহ রয়েছে। সে অনুযায়ী পানের বরজ, বোরো ধান ও মাছ চাষ করে আসছিলেন। গত সাত মাস পূর্বে নিজের মধ্যে কুল চাষের আকাঙ্খা তৈরি হয়। ইতোমধ্যে বগুড়া জেলা থেকে আট‘শ বিশটা কাশ্মীরি কুল চারা সংগ্রহ করে মাছের ঘেরের পাশে রোপণ করা হয়।
সঠিক পরিচর্যা করায় চারা রোপণের সাত মাসের মধ্যেই প্রত্যেকটি কুল গাছ এখন কুলে কুলে পরিপূর্ণ। তিনি আরও জানান, চারা রোপণ থেকে শুরু করে এযাবত তার তিন লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। তবে প্রথম বছরেই গাছে যে পরিমাণ ফলন হয়েছে এবং কলমের চারার বিক্রির যে চাহিদা তৈরি হয়েছে তাতে খরচ বাদ দিয়ে এবছরই কয়েক লাখ টাকা লাভবান হতে পারবেন।
এছাড়াও কয়েকদিনের মধ্যেই কুল বাজারজাত করা যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরে আলম জানান, ফেরদাউজ হাওলাদার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত একজন আদর্শ কৃষক। শুধু চাকরীর পিছনে না ছুটে কৃষি কাজ করেও যে লাভবান হওয়া যায় তার জলন্ত উদাহরণ কৃষক ফেরদাউজ ।
গৌরনদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মামুনুর রহমান জানান, কৃষি কর্মকর্তারা সব সময় কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার জন্য মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে কৃষি কাজ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। কৃষি অফিসের সঠিক পরামর্শ নিয়ে কৃষক ফেরদাউজ হাওলাদার কুল চাষ করায় এখন স্বাবলম্বী হওয়া পথে।





