গোপালগঞ্জে স্কুল ছাত্র হত্যা, আদালতে জবানবন্দি

আদালতে জবানবন্দি

প্রতীকী ছবি

আইন-আদালত

গোপালগঞ্জে স্কুল ছাত্র হত্যা, আদালতে জবানবন্দি

  • গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৭ অগাস্ট, ২০১৯

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের ১০ বছর বয়সের শিশু স্যামুয়েল সরকারকে পাখি শিকারের কথা বলে ডেকে নিয়ে যায় প্রতিবেশি রিংকু মজুমদার। এরপর কোমল পানীয়ের (আরসি) সাথে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে খাইয়ে গলা টিপে হত্যা করে পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়া হয়। আর এসব ঘটনা সবই সকাল ৯ টার দিকে ঘটানো হয়েছে।

এ ভাবেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে হত্যাকারী রিংকু মজুমদার (৩০)।

নিহত স্কুল ছাত্র স্যামুয়েল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের কলিগ্রামের দানিয়াল সরকারের একমাত্র সন্তান। সে কলিগ্রাম তালভেরী মিশনারী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

গতকাল সোমবার বিকালে গোপালগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হুমায়ুন আহম্মেদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় রিংকু মজুমদার।

জবানবন্দিতে রিংকু জানায়, গত শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে পাখি শিকারের কথা বলে স্যামুয়েলকে নিয়ে গিয়ে কোমল পানী (আরসি) সাথে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে পান করায়। এরপর গলা টিপে হত্যা করে স্যামুয়েলের লাশ পুকুরে ফেলে দেয়।

এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলমগীর হোসেন আসামীর আদালতে স্বাকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কথা স্বীকার করে বলেন, জবানবন্দি শেষে আসামী রিংকু মজুমদারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গতঃ নিখোঁজের দুই দিন পর গত রবিবার (২৫ আগষ্ট) সকালে কলিগ্রামের একটি পুকুরে স্কুল ছাত্র স্যামুয়েল সরকারের মরাদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরাদেহ উদ্ধার করে।

এঘটনায় স্যামুয়েলের বাবা রিংকুকে সন্দেহভাজন হিসাবে উল্লেখ করে পুলিশকে জানায়। পুলিশ ওইদিন লাশ উদ্ধারের পরপরই রিংকুকে আটক করে জিজ্ঞাসা বাদ করলে প্রথমে সে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে এবং পরে গতকাল সোমবার বিকেলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads