রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের কান্তপাসা এলাকায় জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার বিপাকে পড়েছে সাহানাপাড়া, ফরসাপাড়া, ঈদলপুর, বেলডাংগা, জুগিডাংসহ বিভিন্ন এলাকার জন সাধারণ। ভুক্তোভোগী জনসাধারনের দাবি, বাপ দাদার আমল থেকে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতাম। এখন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় গরু ছাগল ক্ষেতের ফসল নিয়ে চলাচল করতে না পারায় নিয়ে পড়তে হয়েছে চরম বিপাকে। তাই এ বিষয়ে ভুক্তোভোগী এলাকাবাসী উপজেলা প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কান্তপাসা থেকে সাহানাপাড়া, ফরসাপাড়া, ঈদলপুর, বেলডাংগা, জুগিডাংসহ বিভিন্ন এলাকার জনসাধারনের যুগ যুগ ধরে চলাচলের রাস্তা হঠাৎ করে গত ৩০ আগস্ট রাতের অন্ধকার বাশেঁর চেগার দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে কান্তপাসা এলাকার আজাদ আলী, সাইদুল ইসলাম, শ্রী মিলন মিঞ্জ। তারা চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় চরম বিপাকে পড়তে হয়েছে ওইসব এলাকার জনসাধারন। ওই সকল গ্রামের জনসাধারনের চলাচলের আর কোন বিকল্প রাস্তা নাই।
কান্তপাসা গ্রামের রবিন্দ্র নাথ খাকা বলেন, বাপ দাদার আমল থেকে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে আসছি। কেউ কোন দিন এ রাস্তা বন্ধ বা নিজের বলে দাবি করেনি। হঠাৎ করে আজাদ আলী, সাইদুল ইসলাম, শ্রী মিলন মিঞ্জ এ রাস্তার মাটি নিজের বলে দাবি করে রাতের আধারে বন্ধ করে দিয়েছে।
একই গ্রামের মন্টু মিঞ্জ বলেন, যুগ যুগ ধরে রয়েছে রাস্তাটি। বাপ দাদারা এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেছে, আমরাও চলাচল করছি। কেউ কোন দিন রাস্তা বন্ধ করেনি বা নিজের বলে দাবি করেনি। হঠাৎ করে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা পড়েছি বিপাকে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান আকতার বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে রাস্তার জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছে। তা এলাকায় বসে সমাধান করা উচিৎ। তবে বিকল্প রাস্তা তৈরি না করে রাস্তা বন্ধ করা উচিত হয়নি।





