সারা দেশ

গাড়ি চালকের নিয়োগ প্রদানে জালিয়াতির অভিযোগ

  • ''
  • প্রকাশিত ৩১ মার্চ, ২০২৪

মনোহরগঞ্জ(কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে ০১ নভেম্বর ২০২১ খ্রি. এর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির স্বারক নং-০৫.২০.১৯৭৪.০০৬.০০০.০১.২১-০৬ রাজস্ব খাতে সৃজিত শূন্য পদে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর ০১ (এক)টি এবং গাড়ি চালক ০১ (এক)টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে গাড়ি চালক পদে আবেদন করেছেন একই উপজেলার তিনজন আগ্রহী প্রার্থী। প্রার্থীর রোল নংঃ (০১) মাঈন উদ্দিন (মনির) (০২) আবু ইউসুফ (মিজান) (০৩) কুদরত উল্যাহ।

দীর্ঘ দিন থেকেই গাড়ী চালাচ্ছেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের আবু ইউসুফ(মিজান)। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত শর্তাবলী ৬নং অনুচ্ছেদ দেখলে দেখা যায় প্রার্থীর বয়স ০১ নভেম্বর ২০২১ খ্রি: তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়সের ক্ষেত্রে কোন প্রকার এফিডেভিড গ্রহণযোগ্য হবে না। কিন্তু রোল নংঃ (০২) আবু ইউসুফ (মিজান) তার বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের বেশি হওয়া শর্তেও তিনি বয়স সংশোধন করে উক্ত পদে আবেদন করেন। উল্লেখিত পদে রোল নং ২ (দুই) তার। নিজের বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও কুমিল্লা জেলার ০৯/০৪/২০১৭ সালের কুমিল্লা বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত কর্তৃক ৫৪৯ নং কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে সঠিক বয়স কমিয়ে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে নিয়ে আসেন এবং একাডেমিক সার্টিফিকেট পঞ্চম শ্রেণি থাকলে ও গাড়ী চালক পদটিতে নিয়োগ নেওয়ার জন্য ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেনিতে অধ্যয়ন না করেই মনোহরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কর্তৃক প্রিন্সিপাল আব্দুল মতিন থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ২০/০২/২০১৭ইং তারিখের ৫১৩ নং অষ্টম শ্রেনি পাশের সার্টিফিকেট যাহা ২০০৭ সালে পাশ উল্লেখ করা হয়। এ ব্যপারে জানতে চাইলে মনোহরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন বিষয়টি এড়িয়ে যান। নিয়োগ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয় গত ২৪/০৯/২০২২ইং তারিখে এবং উপজেলা চেয়ারম্যান কর্তৃক ২০/১১/২০২২ইং তারিখে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ফলাফল প্রকাশ করা হয় সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে যোগ্য লোক না পাওয়ায় নিয়োগ দেওয়া হয়নি এবং গাড়ী চালক পদে রোল - ২ আবু ইউসুফ মিজানকে নির্বাচিত করা হয়। এব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আবু ইউসুফ বয়স সংশোধন করে উক্ত পদে আবেদন করেছেন এবং দীর্ঘ্যদিন থেকেই সে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কর্মরত আছে। তাই তাকে উক্ত পদে নিয়োগ করা হলো। কিন্তু ফলাফল প্রকাশ করলে প্রথম জনের রোল উল্লেখ থাকলেও উল্লেখ করা হয়নি দ্বিতীয় স্থান এবং তৃতীয় স্থান অর্জন কারীর রোল নাম্বার। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবু ইউসুফের মুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন করলেও, তিনি কল রিসিভ করেন নাই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অফিসের নাজির মোহাম্মদ জামশেদের কাছে কাছে প্রার্থী কুদরত উল্যাহ রোল ৩ (তিন) লিখিত আকারে অভিযোগ করলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে  গণমাধ্যমকে জানান।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads