পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের হরিদেবপুর গ্রামের ৩ বাচ্চার জননীকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গজালিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের আঃ মন্নান খান এর পুত্র মোঃ মাছুম খান (৩৫)এর সাথে ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে ২০০৯ সালে ৮ নং ওয়ার্ডের মোঃ হাবিব মৃধার মেয়ে মোসম্মৎ সাওদা বেগম এর সাথে বিবাহ হয়।
মোসাঃ সাওদা বেগম জানান বিয়ের পর পরই আমার স্বামী কোন কাজ কর্ম করেন না মাঝে মাঝে করে আবার করেন না সে আমাকে যৌতুকের টাকার জন্যে বিভিন্ন সময় মারধর করে নির্যাতন করত এবং বাবার বাড়ি থেকে টাকা পয়সা আনার জন্যে চাপ দিতো। আমি যখন যা পারতাম বাবাকে বলে এনে দিতাম। আমাদের ঘরে একে একে তিনটি সন্তান জন্ম নেয় একটি ছেলে ও দুইটি মেয়ে আমার ছোট মেয়ের বয়স হবে পাঁচ কি ছয় মাস। আমার স্বামী একটা লম্পট ও চরিত্রহীন, সে আমার এক আত্মীয়র সাথে গোপনে সম্পর্ক জড়ায় কিছু আগে আমার স্বামী আমাকে মারধর করে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে সে মানছুরা নামের আমার আত্মীয়কে নিয়ে পালিয়ে যায়। মানছুরার আগের ঘড়ে একটি কন্যা সন্তান আছে সাত বছরের। মানছুরার স্বামী কবির মৃধা ঢাকা থাকায়, মানছুরা কবিম মৃধাকে তালাক নামা পাঠায়। এদিকে আমার স্বামী মাছুম খাঁন আমাকেও একটি উকিল নোটিশ পাঠায়। এতে করে আমার এখন কি হবে আমি কোথায় যাবো আমার এই তিনটি বাচ্চা নিয়ে কি করবো, তাই আমি সমাজের সকলের কাছে এবং আইনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
সাওদার বাবা বলেন আমি এই বিষয়টি নিয়ে ছেলে বাবার সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি কিছু জানিনা তোমরা যা পারো করো।





