কেরানীগঞ্জের তারানগরে বসতবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ও নগদ ৫ লাখ টাকা ও ১টি স্বর্ণের চেইণ ৩ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল লুট করে নেয়ার আভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। রোববার রাতে বটতলী নতুনহাটি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার ঘটনায় ওই বাড়ির গৃহিনী মুন্নি আক্তার বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
আভিযোগকারী মুন্নি আক্তার বলেন, স্থানীয় ইউপি মেম্বার আব্দুল হক ও তার ছেলে আরিফ, আসাদুল্লাহ ও আসাদসহ ৩০/৪০ জন অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসী রোববার রাতে দেশীয় আস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা ব্যপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়ে ঘরের ৪টি কক্ষের সকল আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এসময় তারা নগদ ৫ লাখ টাকা ও ১টি স্বর্ণের চেইণ ৩ জোড়া স্বর্ণে কানের দুল লুট করে নিয়ে যায় এবং ১২ লাখ টাকার আসবাবপত্র ভাংচুর করে।
এ ব্যাপারে ইউপি মেম্বার আব্দুল হক বলেন, রাস্তায় মুন্নির স্বামী আব্বাস আমার উপরে হামলা চালিয়ে আমাকে আহত করলে আমার ছেলে ও তার বন্ধুরা ক্ষিপ্ত হয়ে মুন্নির বাড়িতে হামলা চালয়। তবে বিষয়টি তারানগর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ফারুকের কাছে বিচারাধিন আছে।
তারানগর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ফারুক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি আমার কাছে আসলে আমি গ্রম্য শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার আশ্বাস দেই।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে একটি আভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।





