সারা দেশ

কৃষি বিভাগের দেয়া আধা কেজি বীজ থেকে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক আ: কাদির 

  • ''
  • প্রকাশিত ১৭ মার্চ, ২০২৪

মাধবপুর ( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদির কৃষি বিভাগের দেয়া আধা কেজি পেয়াজ বিজ চাষ করে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন। আব্দুল কাদির জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তাকে পেঁয়াজ চাষের পরামর্শ দেন এবং আধা কেজি পেঁয়াজ বীজ, সার ও কীটনাশক দিয়ে সহযোগিতা করেন। এই বীজ দিয়ে তিনি এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেন। সহযোগী ফসল হিসেবে ধনিয়াপাতা চাষ করেন। অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় ফসলের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবুও বিশ মন পেঁয়াজ পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।

পেঁয়াজের সাইজ সাধারণত দেশি জাতের পেঁয়াজ যেমন হয় তারচেয়ে অনেক বড়।  চলতি সপ্তাহেই পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান তিনি। দেশী পেঁয়াজের চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় প্রায় এক লাখ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি। তিনি জানান,  এছাড়া প্রায় পাঁচ হাজার টাকার ধনিয়াপাতা বিক্রি করেছি, আরও ৫/৬ হাজার টাকার ধনিয়াপাতা বিক্রি করতে পারবো এবং প্রায় আট হাজার টাকার পেঁয়াজ পাতা বিক্রি করেছি। আগামীতে আমি পাঁচ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করার পরিকল্পনা করেছি। 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহন লাল নন্দী জানান, এই এলাকার কৃষকেরা আগে কখনো পেঁয়াজের চাষ করেনি। এই প্রথম পাঁচ জন কৃষককে  আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তাহেরপুরী জাতের পেঁয়াজ বীজ, সার ও কীটনাশক দিয়ে পাঁচ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের পরামর্শ দেই। অসময়ে বৃষ্টির কারণে ফসলের কিছুটা ক্ষতি হলেও সঠিকভাবে পরিচর্যা করায় উৎপাদন ভালো হয়েছে। তাছাড়া সাথী ফসল হিসেবে ধনিয়াপাতা চাষের পরামর্শ দেই। একই জমিতে পেঁয়াজ ও ধনিয়াপাতা চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় আগামীতে আরও বেশি পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজ চাষের আগ্রহ দেখাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব সরকার জানান, এই অঞ্চলের কৃষকদের পেঁয়াজ চাষের অভিজ্ঞতা নেই। চলতি বছরে উপজেলায় প্রায় ত্রিশ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করা হয়েছে। আশা করছি ১৮০ মেট্রিকটন পেঁয়াজ উৎপাদন হবে এবছর। উৎপাদন তুলনামূলক ভালো হওয়ায় কৃষকদের পেঁয়াজ চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। আগামী বছর উপজেলার শতাধিক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের পরিকল্পনা আছে আমাদের।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads