করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবহন বিভাগের এক কর্মী।
চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবহন বিভাগের ওয়ান স্টপ সার্ভিসের উচ্চমান সহকারী আবদুল হালিম (৫৬) করোনা উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়ার পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
পরে বুধবার নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে তার করোনা পজিটিভ আসে। এতে বন্দরে কর্মরত ৭ হাজার কর্মচারীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বন্দর সূত্র জানা যায়, আব্দুল হালিমের বাড়ি ঝালিকাঠি জেলায়। তিনি চট্টগ্রামের হলিশহর এলাকায় থাকতেন। গত শনিবার পর্যন্ত তিনি বন্দরের পরিবহন বিভাগের ওয়ান স্টপ সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন।
আবদুল হালিমের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার করোনার উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান তিনি। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে কিছু ওষুধ দিয়ে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেন।
এরপর মঙ্গলবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।
পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল তার নমুনা সংগ্রহ করার পর বুধবার রাতে তার করোনা পজিটিভ আসে।
এদিকে, করোনা উপসর্গ নিয়ে বন্দরের এই কর্মীর মৃত্যুতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বন্দরে কর্মরত কর্মচারীদের মাঝে।স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে বিক্ষোভ করেছে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের কর্মীরা। ৩ ঘণ্টা বন্দরের কাজ বন্ধ থাকার পর কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে দুপুর ১ টার দিকে কাজে ফেরেন তারা।
পরিবহন পবিভাগের সহকারী ট্রাফিক ইনস্পেকটর ও চট্টগ্রাম বন্দর (সিবিএ) কর্মচারী পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জানান, ওয়ান স্টপ সার্ভিসে ১০৫ কর্মী কাজ করেন। অনেকেই তার সংষ্পর্শে এসেছেন, সুতরাং তাদের সবার নমুনা দ্রুত পরীক্ষা করতে হবে। এবং যাদের পজিটিভি পাওয়া যাবে তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা নিশ্চিত করতে হবে।





