কচু চাষে ভাগ্যবদলের স্বপ্ন

ছবি: বাংলাদেশের খবর

বাংলাদেশ

কচু চাষে ভাগ্যবদলের স্বপ্ন

  • মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১১ ডিসেম্বর, ২০২০

জেলার সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের দাশেরহাটি গ্রমের কৃষক শাহ আলম মিয়া পানিকচু চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তিনি এ বছর এক হেক্টর জমিতে উন্নত জাতের পানিকচু চাষ করছেন।

জানা গেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ জনপ্রিয় একটি প্রকল্প ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প’ যা কন্দাল ফসলের পুষ্টিগুণ ও উচ্চমূল্য বিবেচনায় লতিকচু, পানিকচু, মুখিকচু, গোলআলু, মিষ্টিআলুর আধুনিক প্রযুক্তিসমূহ সম্প্রসারণে কাজ করছে। গত অর্থ বছরে উপজেলায় এই পানি কচু চাষ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হয়। গত বছর লতিকচু, পানিকচুর প্রদর্শনী, মাঠদিবস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের দাশের হাটি গ্রামের মাওলানা আ. রাজ্জাক ২০ শতক জমির ওপর লতি কচু প্রদর্শনী করেন। কৃষি অফিস থেকে লতিকচুর চারা ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক সরবরাহ করা হয়। এত উদ্বুদ্ধ হয়ে মাওলানা আ. রাজ্জাকের ভাই আলমগীর হোসেনের সহযোগিতায় আরো ৩০ শতক জমিতে লতিকচু, পানিকচু আবাদ করেন। চারা রোপণের দুই মাস পর থেকে লতি বিক্রি শুরু করেন, জুলাই মাস পর্যন্ত প্রয় ৭০ হাজার টাকার লতি এবং ১০ হাজার টাকার কচু বিক্রি করেন। কিন্তু জুলাই মাসের শেষের দিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যায় ৫০ শতক কচুক্ষেত বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। এতে কৃষক আ. রাজ্জাক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও থেমে যাননি। তিনি কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রদর্শনী থেকে গুড়িবীজ চারা সংগ্রহ করে উঁচু জমিতে স্থানান্তর করে চারা উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেন। ধীরে ধীরে পানি নেমে গেলে কচুর চারা বীজ বিক্রি শুরু করেন। এতে তিনি কচুর চারা উৎপাদন ও বিক্রি করে প্রায় দুই লাখ টাকা আয় করেন। আ. রাজ্জাকের চাষের সফলতা দেখে কৃষক শাহআলম নিজে এ বছর এক হেক্টর জমিতে পানি কচু চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা টিপু সুলতান সপন বলেন, ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পে’র আওতায় উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় কচু চাষ করে উপজেলার কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads