বাগেরহাটের কচুয়ায় দূর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে একটি গোয়ালঘর, দুটি খড়ের গাদা ও একটি কাঠের ঘর। আগুনে গোয়ালঘরে থাকা দুটি গরু পুড়ে মারা গেছে। আরো ৩টি গরুর শরিরের অধিকাংশ স্থান পুড়ে গেছে।
গতকাল সোমবার গভীর রাতে কচুয়া উপজেলার চরসোনাকুড় গ্রামের আব্দুল জলিল শিকদারের বাড়িতে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সকালে পুলিশসহ জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
গৃহকর্তা আব্দুস জলিলের ছেলে মাসুদ শিকদার জানান, প্রতিদিনের মত রাতে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে তারা জেগে উঠে চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ২ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নেভাতে সক্ষম হন। ততক্ষণে দুইটি গরু আগুনে পুড়ে গোয়ালের ভিতর মারা যায়। অন্য তিনটি গরুরও শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে। এসময় অন্য একটি কাঠের ঘর এবং দুইটি খড়ের গাদাও পুড়ে গেছে। একই সাথে ৪টি স্থানেই আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।
প্রতিবেশী দিব্বেন্দু সিকদার খোকন জানান, স্থানীয়দের ডাকচিৎকারে তার ঘুম ভেঙ্গে গেলে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে আগুন দেখতে পান। এলাকাবাসী জীবনের ঝুুঁকি নিয়ে দুই ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এটি একটি অমানবিক ঘটনা। যারা করেছে তাদের বিচার হওয়া জরুরী।
মঘিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পংকজ কান্তি অধিকারী ঘটনাস্থল থেকে জানান, কে বা কারা রতের অন্ধকারে এই গোয়ালঘর ও খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে। যারাই করে থাকুক তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান তিনি।
কচুয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।





