পরিবেশ, বন ও জলবায়ুমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, ঢাকার ইটভাটাগুলোর কারণে ৫৮ শতাংশ পরিবেশ দূষণ হয়। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে বাংলাদশে ক্লাইমট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের (বিসিজেএফ) সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বায়ু দূষণ রোধে আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ঢাকাসহ বড় বড় জেলা শহরে বায়ুর মান নিরূপণে ১৬টি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বায়ুর মান নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। ইটভাটা বন্ধের জন্য পরিকল্পনা ও আইন পাস হয়েছে।
এ ছাড়া পরিবেশ দূষণ রোধে আমরা পলিথিন নিষিদ্ধ করেছি। তবে সব পলিথিন কারখানা বন্ধ সম্ভব নয়। কারণ কিছু কিছু ক্ষেত্রে পলিথিন ব্যবহারের সুযোগ আছে। নীতিমালার আওতায় যেসব পলিথিন নিষিদ্ধ সেগুলোর উৎপাদন বন্ধ করা হবে। পাট দিয়ে আমরা বিকল্প ব্যাগ তৈরি করছি। সে বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে হাইড্রোলিক হর্ন আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করেছি। যারা হর্ন বাজায়, সেটি তাদের মানসিকতার বিষয়। বাইরের দেশে পেছনে কেউ হর্ন বাজালে অন্যরা রাগান্বিত হয়। মানুষ যদি সচেতন হয়, তাহলে শব্দ দূষণ বন্ধ হবে। যে হর্ন বাজায় সেও বুঝতে পারছে না এটি কত ক্ষতিকর। শব্দ দূষণ রোধে আমরা পুরো বাংলাদেশকে ক্যান্টনমেন্ট বানাতে চাই। বনের জমি দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বনের দখল হওয়া জমি উদ্বারের প্রক্রিয়া চলছে। দখলকারীদের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রসঙ্গে বলেন, এটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কিছু এখন পর্যন্ত সেখানে হয়নি। রামপাল হলে পরিবেশ ও সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না। এ ছাড়া সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় রাখতে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করব আমরা।
বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি কাউসার রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক, দপ্তর সম্পাদক ইসমাঈল হোসাইন রাসেল প্রমুখ।





