সাইফুল ইসলাম, সিংগাইর:
থেকে মা নিকগজ্ঞের সিংগাইরের ‘দৃষ্টি সঞ্জয়ও ঋণ দান কারী ’ নামের একটি সমবায় সমিতি নানা প্রলোভন দেখিয়ে ব্যাংকিং আইন লংগন করে গ্রাহকদের নিকট হতে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। সমবায়সমিতি আইন ২০০২ (সংশোধিত) আইন অনুযায়ী কোন ব্যাংকিং কার্যক্রম যেমন জিপিএস , এফডিআর সঞ্চয়পত্র সেভিং হিসাব খুলে কোন ক্রমেই গ্রাহকের নিকট থেকে কোন আমানত সংগ্রহ করা যাবেনা। কিন্তু কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ক্ষদ্র ঋণের নামে লক্ষ লক্ষ টাকার এফডিআর সঞ্চয়পত্র, জিপিএস নামে আমানত সংগ্রহ করছেন । আমানতকারিদের টাকা ফেরত নাদিয়ে অফিসে তালা ও কালক্ষেপণ করায় তারা ঐ সমবায় সমিতির অফিসের সামনে অবস্থান নেন। বুধবার সকালে সিংগাইর উপজেলা জার্মিত্তা ইউনিয়নের মধুর চর সোনাতলা গ্রামে এঘটনা ঘটে।
গত কয়েক দিন ধরে ঔই সমবায়সমিতির মালিক ও অফিস স্টাফ অফিসে তালা দিয়ে লাপাত্তা হোন । বুধবার সকালে দৃষ্টি সমবায় সমিতির মালিক বাহালুল হক অফিসের তালা খুলেন । আবারও পালিয়ে যাওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আমানত কারীরা অফিসের সামনে এসে তাকে ঘেরাও দিয়ে রাখেন।
সারা জীবনের কর্ষ্টার্জিত সঞ্চয়কৃত অর্থ হারানো ও সর্বশান্ত হওয়ার আশংকায় শতশত গ্রাহক ঐ সমবায় সমিতির অফিসটি ঘেরাও ও বিক্ষোভ করেন। এসময় সংবাদ পেয়ে শান্তি পুর ফাঁড়ির এসআই আঃ সালাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়মতন্ত্রে আনেন।
জানা গেছে, উপজেলা সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধন নেন দৃষ্টি সঞ্চয় ও ঋণ দানকারী সমবায়সমিতির মালিক বাহালুল হক। যার রেজিষ্ট্রেশন নং ০০৯৮। তিনি ভিন্ন জেলার দুজন মাঠ কর্মী নিয়ে মধুরচর সোনাতলা নিজ বাড়ি তে অফিস নিয়ে ঋণদান কার্যক্রম পরিচালানা করে আসছিলেন । ঐ সমিতির বর্তমানে তিনশতেরও অধিক গ্রাহক রয়েছেন। হঠাৎ কয়েক দিন আগে অফিসে তালা দিয়ে মালিক ও ম্যানেজার আব্দুল আজিজ ও মাঠ কর্মী রাসেল ত্রিশ কোটি টাকা গ্রাহকের আমনত সংগ্রহ করে উদাও হয়ে যায়। ঐ সমবায় সমিতির মালিক বাহাললুলের খপ্পরে পড়ে শরিফ উদ্দিন তার সমিতিতে লাভের আশায় জমা দিয়েছেন নয় লক্ষ টাকা, তাহেরুন,নেহেরুন জমা দিয়েছেন ১০ লক্ষ নুরজাহান দিয়েছেন আড়াই লক্ষ টাকা মিনুয়ারা ৯০ হাজার টাকা, আনেছা দিয়েছে ২৪ লক্ষ টাকা সুন্দরী ৫০ হাজার টাকা এরকম সহজ সরল সুন্দরী মিনুয়ারার মত শতশত গ্রাহক ঐ সমিতি তে আমানত জমা রেখে অর্থ ফেরত না পাওয়ার আশংকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন
ভুক্তভোগী সুন্দরী বলেন অন্যের বাড়িতে কাজ কর্ম করে খেয়ে না খেয়ে টাকা এক জায়গায় করে লাভের আশায় বাহালুলের নিকট জমা রাখি।এটাকা দেখি এখন পাচ্ছিনা।
স্থানীয় হাইস্কুলের শিক্ষক আলমগীর বলেন , সমিতিটি সঞ্চয় ও ঋণদান কর্মসূচি দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন কয়েক মাস পর অধিক লাভ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে এককালীন মোটা অঙ্কের টাকা সঞ্চয় হিসেবে সংগ্রহ করেন । সাধারণ মানুষ তাঁদের সবটুকু সঞ্চয় সমিতিতে জমা করেন। গ্রাহকের প্রায় ত্রিশ কোটি টাকা সঞ্চয় রয়েছে। কয়েক দিন ধরে সমিতিটি তাঁদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
মধুরচর গ্রামের ভুক্তভোগী মিনুয়ারা বলেন সমবায় সমিতিত ৯০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে জমা রেখেছিলাম। সমিতির অফিস বন্ধ। সমিতির মালিক বাহালুলহকের কাছে টাকা চাইলে শুধু সময় নেন, কিন্তু টাকা দেয় না। এ নিয়ে এলাকায় সবাই অফিস ঘেরাও করছি।
শরিফ উদ্দিন নামের একজন বলেন, ‘আমি একজন ব্যবসায়ি আমার ব্যবসায়ের ৯ লাখ টাকা দৃষ্টি সঞ্চয় ও ঋণ দান সমবায় সমিতিতে সঞ্চয় করি । হঠাৎ করে সমিতিটি বন্ধ হয়ে যায়। সমিতির মালিক বাহালুল হক হঠাৎ উদাও হয়ে যায় । বুধবার সকালে তালা খুলে অফিসে আসলে আমরা সবাই এখানে অবস্থান নেয়।
সমিতির সভাপতি ও মালিক বাহালুল টাকার নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে আমার ম্যানেজার ু আব্দুল আজিজ ও মাঠ কর্মী ,রাসেলে পালিয়ে গিয়েয়ছে। এলাকার ‘সব গ্রাহককেই আমি টাকা দিয়ে দিব। এনপ্রতিশ্রুতিতে আমানতকারীরা শান্ত হন।
উপজেলা সমবায়সমিতির কর্মকর্তা আরব আলী বলেন, গত২০২১ ২০২২ অর্থবছরে দৃষ্টি সঞ্চয় ও ঋণ দান সমবায় সমিতির অডিটের জন্য ডাকা হয়ছিল কিন্তু অডিট ফেইস করেননাই। এ ব্যাপারে তবে কোনো গ্রাহক এখন পর্যন্ত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিপন দেবনাথ বলেন, ‘দৃষ্টি সমবায় সমবায় সমিতির কোনো গ্রাহক আমার কাছে অভিযোগ করেননি। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





