আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার আদমদীঘিতে স্বামীর নির্যাতনে লাভলী বেগম ওরফে লিবেন (৩৩) নামের এক গৃহবধুকে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা মামলায় পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামী নিহত গৃহবধুর স্বামী তালসন গ্রামের আবুল কাশেম ও ভাসুর দুলাল মন্ডলকে ৯ দিনেরও গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে মামলাটি তুলে নিতে একটি মহল জোড় তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে বাদি আনছার আলী জানান।
উল্লেখ্য: আদমদীঘি উপজেলার তালশন গ্রামের আবুল কাশেমের সাথে একই উপজেলার উথরাইল জাহানাবাজ গ্রামের লাভলী বেগমের প্রায় ১৫ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে সংসার জীবনে তাদের কলহ লেগেই থাকতো। গত ৫ মার্চ মঙ্গলবার সকালে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে আবারো কলহ ও লাভলী বেগমকে শারীরিক নির্যাতন করে। ওইদিন বেলা সাড়ে ১১ টায় লাভলী বেগমের স্বামীগৃহে শয়ন ঘরে ফ্যানের সাথে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্বজনরা উদ্ধার করে আদমদীঘি হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাভলী বেগমকে মৃত ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় লাভলী বেগমের বাবা আনছার আলী তার মেয়ে লাভলী বেগমকে আত্মহত্যা করার প্ররোচনার অভিযোগ এনে তার মেয়ের স্বামী আবুল কাশেম ও ভাসুর দুলাল মন্ডলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলা দায়েরের ৯দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। মামলার তদন্তকারি উপ পরিদর্শক ফেরদৌস হোসেন জানান, আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।





