আখাউড়ায় সড়কের বেহাল দশা

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

আখাউড়ায় সড়কের বেহাল দশা

  • আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দিন যতই যাচ্ছে ততই আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার বেশ কয়েটি রাস্তা ঘাট বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ওইসব রাস্তার পিচ ও খোয়া উঠে স্থানে স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে । সামান্য বৃষ্টি হলে সড়কটি যেন হাল চাষের জমিতে পরিণত হয়। বেহাল দশা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় যানবাহন চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়ছে। আর এ সব খানা খান্দে রাস্তায় পড়ে প্রতিদিনই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। ফলে জীবন ঝুঁকি নিয়ে ওইসব রাস্তা দিয়ে নিত্যদিন পথচারীদের চলাচলে দূর্ভোগ বাড়ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার সীমান্তবর্তী আবদুল্লাহপুর, রাজেন্দ্রপুর-আদমপুর-ছয়ঘড়িয়া-খালাপাড়া- প্রধান রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরে যানবাহন চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। দীর্ঘ দিন ধরে ওইসব রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ইট,সুরকি উঠে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও এক থেকে দেড় ফুট ডেবে আছে।
প্রতিদিন দূর্ভোগ নিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষক শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী, অসংখ্য পথচারী ওইসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। ওইসব রাস্তা দিয়ে বর্তমানে রিকসা চলাচল ওঝুঁকি পূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ নিরুপায় হয়ে জীবন ঝুঁকি নিয়ে অনেক কষ্ট করে যাতায়ত করছে।

মো: ইউনুস মিয়া বলেন, রাজেন্দ্রপুর-আদমপুর সড়কটি হওয়ার পর দীর্ঘ বছর ধরে খানাখান্দে হয়ে আছে। এই রাস্তা হওয়ার পর দীর্ঘ ১২-১৩ বছর পযর্ন্ত আর কোন কাজ হয়নি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন রাজেন্দ্রপুর,উমেদপুর, বাউতলা, জয়নগর,খলাপাড়ার লোকজন চলাচল করছে। কিন্তু দুরবস্থার কারণে রিকসা ও চলাচল করছে না। কলেজ ছাত্র এমরান হোসেন হলেন, প্রায় ১কি:মি: রাস্তা হেটে মেইন রাস্তায় এসে যানবাহনে করে যাতায়ত করতে হয়।

মো. শামসুল হক বলেন, রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলে কাদা পানিতে একাকার হয়ে যায়। দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তাটি ভাঙ্গাচুরা অবস্থায় পড়ে আছে। যান বাহন নিয়ে চলাতো দুরের কথা হাটায় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আসমা আক্তার বলেন, সামান্য বৃষ্টিপাত হলে এই রাস্তা দিয়ে হাটা যায় না। তাছাড়া অসুস্থ রোগী নিয়ে খুবই কষ্ট করতে হয়। মো. সিরাজ মিয়া বলেন, রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণে কোন আত্মীয় স্বজন আসতে চায় না। রাস্তা সংস্কার না করায় চলাচলে খুবই কষ্ট করতে হচ্ছে।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূইয়া বলেন,জরুরী ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী গ্রামের রাস্তা সংস্কার করতে উদ্ধোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মাননীয় আইনমন্ত্রীসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। আনুমোদন পেলেই ওইসব রাস্তা দ্রুত সংস্কার করা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads