আকাশপথে যোগাযোগের আঞ্চলিক হাব হবে বাংলাদেশ: বিমান প্রতিমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

জাতীয়

পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের পর্যটন সচিবের বৈঠক

আকাশপথে যোগাযোগের আঞ্চলিক হাব হবে বাংলাদেশ: বিমান প্রতিমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ৮ জানুয়ারি, ২০২০

বাংলাদেশ আকাশপথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক হাব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এ জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কক্সবাজার ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ চলছে। বিমানবন্দর দুটির সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পর তা দক্ষিণ এশিয়ায় যোগাযোগের নতুন মাত্রা উন্মোচন করবে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে তার দপ্তর কক্ষে নেপালের পর্যটন সচিব কেদার বাহাদুর অধিকারী বৈঠক করেন। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হক ও বাংলাদেশের নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. বংশীধর মিশ্র উপস্থিত ছিলেন।

নেপাল ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল দুটি দেশেই বৈচিত্রময় পর্যটন পণ্য রয়েছে। বাংলাদেশের রয়েছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার এবং বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন। নেপাল, ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ল্যান্ড লক রাজ্যগুলোর নিকটবর্তী সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত ও সুন্দরবন তাদের জন্যে অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হতে পারে। পর্যটন বাংলাদেশ ও নেপালের বন্ধুত্বকে আরো দৃঢ় করবে।

নেপালের পর্যটন সচিব কেদার বাহাদুর অধিকারী বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ নেপাল অত্যন্ত ভালো বন্ধু। নেপাল বাংলাদেশের এই বন্ধুত্বকে অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করে। বাংলাদেশ ও নেপালের সাংস্কৃতিক নৈকট্য ও পর্যটন দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, বাংলাদেশ পর্যটনের অপার সম্ভাবনার দেশ। বাংলাদেশ ও নেপাল এই দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সেতুবন্ধন হিসেবে পর্যটন কাজ করতে পারে। পর্যটনের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিনিময় দু'দেশের সম্পর্কে নতুন মাত্রা তৈরি করার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads