বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ০১ July ২০২৪

খোকসায় প্রাথমিকে জনবল সংকটে ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম


খোকসা কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

"শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড" একটি প্রবাদ প্রবচন।বাক্যটিতে প্রতিটি শব্দ একটি জাতিকে যেমন জাগ্রত করে তোলে, তেমননি প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি জাতির সর্বপ্রথম শিক্ষা স্তর।প্রাথমিক স্তরে শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যাহত হলে ধ্বংস হতে পারে একটি জাতি ।সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে কুষ্টিয়ার খোকসায় উপজেলায় ৮৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক না থাকায় অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

সোমবার উপজেলা প্রাথমিক অফিস সূত্রে জানা গেছে উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৮৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে।

এদের মধ্যে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আদালতে মামলা জনিত জটিলতায় প্রধান শিক্ষকের পদশূণ্য বাকি ৩১টি প্রধান শিক্ষকের পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব বা ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব হিসাবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

জানা গেছে উপজেলায় প্রাথমিকে ৬১৩ পদের বিপরীতে বর্তমানে সরকারি নিয়োগ প্রাপ্ত ৫৬৫ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। বাকী ৪৮ টি পদের মধ্যে ৩৫ টি প্রধান শিক্ষকের ও ১৩ টি সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

উপজেলার প্রায় ১৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্য পরিচালনায় ৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদ সহ ৪৮ টি পদ শূন্য থাকায় প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে স্বীকার করলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: আজিজুর রহমান।

এ বিষয়ে খোকসা জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়নে ২নং ফুলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চন্দন কুমার পাল বলেন , প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য থাকায় দায়িত্ব পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের । শিক্ষক শিক্ষিকা কম থাকায় ক্লাস নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে । ফলে পাঠদান কার্যক্রম মাঝে মধ্যে ব্যাহত হচ্ছে । জনবল সংকটে চালাতে হচ্ছে বর্তমান শিক্ষা কার্যক্রম ।

বর্তমানে এই বিদ্যালয়ের মোট ছাত্র-ছাত্রী ২৩৪ জন শিক্ষক শিক্ষিকা চারজন দপ্তর একজন । এই নিয়ে চলছে ফুলবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ।

এক প্রশ্নের জবাবে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ বেলাল বলেন, উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে ত্বরান্বিত করতে আমরা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শন করে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দিক নির্দেশমূলক সিদ্ধান্ত দিয়ে আসছি। ফলে উপজেলার শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া হার শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আজিজুর রহমান বলেন গত মাসের ২৩ তারিখে উপজেলায় যোগদান করেছি। জুন ক্লোজনের মাসটি হওয়ায় সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ বিলাল এর সহযোগিতায় কোন প্রকার অনিয়ম বা আইনের বেত্তয়ের এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে সর্বোপরি উপজেলার প্রাথমিকে শিক্ষা ব্যবস্থা শতভাগ নিশ্চিত করতে আমি সর্বাত্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১