বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১৭ May ২০২৪

হবিগঞ্জে হাওরে দলিল লেখকের লাশ উদ্ধার


হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার জিরুন্ডা গ্রামের পাশে একটি হাওরে মাটিচাপা অবস্থায় গত ১১ মে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে প্রথম স্ত্রী ও কয়েকজন আত্মীয় মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করলে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি লাখাই সাবরেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক শাহ আমজাদ হোসেন নয়নের। তিনি উপজেলার পূর্ব সিংহগ্রাম গ্রামে মৃত শাহ মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। অবশেষে এই ক্লুলেস হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে দাবী করে পুলিশ জানায়- এটি একটি হত্যাকাণ্ড। হত্যার রহস্য উদঘাটন করে মা, মেয়ে ও ছেলেসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম বুল্লা গ্রামের আব্দুল আওয়ালের স্ত্রী মোছা. জোসনা বেগম (৪৭), মেয়ে রত্না আক্তার (২২), ছেলে ফারুক মিয়া (২৫)ও  জিরুন্ডা গ্রামে মৃত ছোয়াব আলীর মো. ইকবাল (৪০)।

আজ শুক্রবার বিকালে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার আক্তার হোসেনের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়- এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড ছিল। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদেরকে আটক করা হয়। এরমধ্যে মা মোছা. জোসনা বেগম ও মেয়ে রত্না আক্তারকে নিজ বাড়ি থেকে ও ছেলে ফারুক মিয়াকে ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে এবং জোসনা বেগমের ভাই ইকবাল মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর থানাধীন ফান্দাউক গ্রামের তার এক আত্মীয়ের বাড়ী হইতে গ্রেফতার করে।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১১ মে উপজেলার জিরুন্ডা গ্রামের পাশে একটি হাওরে মাটিচাপা অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ১৩ মে লাখাই থানার পুলিশ অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরদিন নিহত শাহ আমজাদ হোসেন নয়নের স্ত্রী মাফিয়া আক্তার স্থানীয় পত্রিকায় ছবি ও মৃতদেহের সাথে থাকা কাপড় চোপড় দেখে তার স্বামী বলে সনাক্ত করেন। 

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। 


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১