বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১৩ February ২০২৪

কর্মগুন ও উন্নয়নের বদৌলতে শেষ মুহূর্তের হিসেব নিকেশে মেয়র টিটু


ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: 

আসন্ন ৯ মার্চ ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) নির্বাচন।  বিভাগীয় শহর,জনসংখ্যার অধিক্য ও ভৌগলিক অবস্থার কারণে ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সবার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাশীল।  এই সিটিতে মোট ভোটার ৩লক্ষ৩৬ হাজার ৪শত ২৮জন।  দলীয় প্রতিক না থাকার কারণে সাধারণ ভোটারদের কাছে গুরুত্ব বেড়েছে এই নির্বাচনের।  ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন বলে ভোটরদের মাঝে বিরাজ করছে আনন্দ উল্লাস।

শেষ মুহূর্তে ভোটাররা কষছেন কর্মগুন ও উন্নয়নের হিসেব নিকেশ।  সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায় কর্মগুনে আলো ছড়ানো সিটি মেয়র ইকরামুল টিটু ভোটের জড়িপে রয়েছেন অনেক এগিয়ে।  নগরজুড়ে পোস্টার সাঁটানোর মাধ্যমে প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। দ্বিতীয়বারের মতো মসিক নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন বর্তমান মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু।

একদশক আগেও ময়মনসিংহ শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল করুন।  অধিকাংশ ওয়ার্ড,পাড়ায় তেমন কোন সড়ক ছিলনা।  নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল অনেক এলাকাতেও ছিল কাচা ও খানা খন্দে ভরপুর রাস্তা। জনগনের ভোগান্তি ছিল চরমে। ছিলনা উন্নত ড্যানেজ ব্যবস্থা।  অল্প বৃষ্টিতে তলিয়ে যেত ময়মনসিংহ শহর।  এখানে সেখানে দেখা যেত ময়লার স্তুপ, দুর্গন্ধের কারণে মুখে রুমান দিয়ে চলাচল করতে হত।  চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে স্বাস্থ্য ঝুকিতে ছিল নগরবাসী।  বর্ষাকালে ঘর থেকে বের হওয়া ছিল কষ্টকর।  উন্নয়ন বঞ্চিত,সমস্যায় জর্জরিত ও ভয়াবহ যানজটের শহর ছিল ময়মনসিংহ।  ২০১৯ সালের ৫ই মে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে মেয়র হন ইকরামুল হক টিটু।  মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের ৫ বছরের মধ্যে দীর্ঘ আড়াই বছর কেটে যায় করোনা ও বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলা করে।  এতো সমস্যার মাঝেও ময়মনসিংহ শহরকে লন্ডন,সিঙ্গাপুর সিটির আদলে গড়ে তুলতে দিবারাত্রী বিরামহীন কাজ করেছেন টিটু।  অনেকাংশেই সেইসব সমস্যার সমাধান হয়েছে।  তবে কিছু অংশে এখনো সমস্যা রয়েছে।  সেগুলো সমাধান করার জন্য কাজ চলমান রয়েছে। তবে অনেকটাই বদলে দিয়েছেন ময়মনসিংহ শহরের চালচিত্র।

অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল উদ্ধার, সড়ক নির্মাণ, সেবাকেন্দ্র স্থাপন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র উদ্বোধন,পার্ক ও চিড়িয়াখানা স্থাপন, সড়কবাতি স্থাপন,বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, মশক নিধনে ক্রাশ প্রোগাম, টিকা প্রদান, ভিটামিন ডি সেবন, খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে অভিযান সৌন্দয্যবর্ধন তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়াম স্থাপন, জয়নুল পার্ক, যাত্রী ছাউনি নির্মাণ,বাগান, ফোয়ারা,ভাস্কর্য, পাঠাগার, মসজিদ নির্মাণ, স্মৃতিেেসৗধ স্থাপন, করোনাকালে অসহায় মানুষদের মাঝে সরকারির বরাদ্দের পাশাশি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার ঔষধ ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান, করোনা সতর্কীকরণ পোস্টার, লিফলেট বিতরণ, বিলবোর্ড সাটানো, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সেলাই মেশিন বিতরণ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি উন্নয়ন, জিপিওপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা, স্কুল স্থাপন, মানবিক কার্যক্রম হুইল চেয়ার বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ কর্মসুচিসহ নানা পজেটিভ কার্যক্রমে প্রশংসিত হয়েছেন, নগরবাসীর নজর কেড়েছেন,ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তাও বাজিমাত করেছেন মেয়র টিটু।

ময়মনসিংহ নগরীর ৮নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা শেখ মুজিবুর রহমান অনিন্দ্য মিন্টু বলেন করোনা ভাইরাসে অক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অধিকাংশ নেতা,কর্মী, জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনেরা যখন নিজেদের ঘরবন্দি করে রেখেছিলেছিলেন। জনগন থেকে গা ঢাকা দিয়েছিলেন।  তখন জীবনের মায়া ত্যাগ করে ময়মনসিংহ নগরীসহ ও জেলার অসহায় অসচ্ছল কর্মহীণ হয়ে পড়া অর্ধাহারে অনাহারে থাকা মানুষগুলের পাশে দাড়িয়েছিলেন মেয়র টিটু।  সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি নিজের তহবিল থেকেও সাহায্য সহায়তা প্রদান সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত রেখেছিলেন।  শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নিজ বাসভবন'পরিবার পরিজন আরাম আয়াশ বিশ্রাম ও ঘুম ছেড়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর এ প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত পর্যন্ত চারণেরমতো পায়ে হেঠে অসহায় অর্ধাহারে অনাহারে থাকা কর্মহীন মানুষদের খোঁজ নিয়েছেন।  যেখানে যা প্রয়োজন তাই দিয়েছেন।  নগরবাসীর সকল আপদে,বিপদে, দুর্যোগে,দুর্বিপাকে ও সঙ্কটে অসহায় মানুষদের পাশে দাড়িয়েছেন মেয়র টিটু। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিনি তার ত্যাগের প্রতিদান পাবেন ইনশাল্লাহ।

নগরীর ২নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন, নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা শিক্ষক আব্দুছ ছামাদ বলেন করোনার সংক্রামণ এড়াতে কৌশল শিক্ষা দিয়েছেন, জনসচেতনতা সৃষ্টি করেছেন।  করোনার সাথে লড়াই করে করে কিভাবে বাচঁতে হয় শিক্ষা দিয়েছেন। চরম অসহায় মানুষগুলির মনে সাহষ যুগিয়েছেন। পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে মানুষকে দুশ্চিন্তা মুক্ত ও উচ্ছসিত করেছেন। মৃত্যুর ভয় উপেক্ষা করে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পায়ে হেটে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড’ মহল্লা’ অলি’ গলি ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে অসহায় মানুষদের খোঁজ খবর নিয়েছেন।  ঔষধ,নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নগদ টাকাসহ যা যা প্রয়োজন নিজ হাতে প্রদান করেছেন।  করোনাকালে মৃত্যর ভয় উপেক্ষা করে শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসভবন,পরিবার পরিজন ত্যাগ করে অসহায় মানুষদের সাথেই সময় কাটিয়েছেন মানবিক নেতা মেয়র টিটু। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বচনে মেয়র টিটু তার কর্মগুনের ফল পাবে ইনশাল্লাহ।

নগরীর ব্রীজ মোড় এলাকার বাসীন্দা ডা, শাহীন বলেন প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রায় আড়াইবছরে সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে দু:স্থ, বিপন্ন, অসহায় মানুষের পাশে থাকাকেই ‘রুটিন ওয়ার্ক’ করেছিলেন মেয়র ইকরামুল হক।  ছোট ভাইকে মৃত্যুর ঝুকিতে রেখে ঘরে বসে থাকেননি তার সহোদয় বড় ভাই ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের টানা দু’বারের সহ-সভাপতি ও চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আমিনুল হক শামীম সি আইপি।  প্রতিদিন রুটিন ওর্য়াক করে নগদ টাকা অর্থ ও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী এবং ঔষধ বিতরণ করেছেন। নগরবাসীর সেই চরম হা-হুতাস সময়ে অসহায় মানুষদের মাঝে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদান করেছেন।  মানবদরদী খ্যাত এই দুই ভাইয়ের মনুষ্যত্ববোধের পরিচয় ময়মনসিংহসীকে করেছে মনোমুগ্ধ করেছে।  বিপদে পড়ে বা কোন কাজে মেয়র টিটুর কাছে গিয়ে কেউ খালি হাতে ফিরেনি।  সার্বক্ষনিক দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার সহায়তা করেন তিনি। জনপ্রিয়তার বদৌলতে মেয়র টিটু ময়মনসিংহ আওয়ামীলীগের অদ্বিতীয় নেতা।  বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা উপজেলায় মেয়র টিটুর মত নেতার খুবই প্রয়োজন।

নগরীর নতুন বাজার এলাকার বাসীন্দা মীর কায়েস বলেন সুসময়ে নেতার অভাব হয়না।  কিন্তু আপদে বিপদে ও অসময়ে মেয়র টিটু ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়না।  গত ৫ বছরে বৈশ্বিক দুটি সংকট কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্টি অর্থনৈতিক মন্দা এসব অভারকাম করেও মেয়র টিটু নজিরবীহিন উন্নয়নমুলক কাজ করেছেন।  ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট অধ্যায়ে শ্বাসতন্ত্রের রোগ কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের চাপ বেড়ে যাওয়ার কারনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ক্রয় করে দিয়েছিলেন।  স্থানীয় কলেজ ছাত্রলীগকেও দিয়েছিলেন আরও ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং করোনা রোগীদের আনা-নেওয়ার জন্য দিয়েছিলেন একাধিক অ্যাম্বুলেন্স।  সেই চরম বিপদের সময় চিকিৎসা সচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ব্যপক আলোচনায় এসেছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি, সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু ও তার বড় ভাই আমিনুল হক শামীম সি আইপি।

সে সময় ফেসবুক টুইটার.জনপ্রিয় বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ দেশের গণমাধ্যমগুলোও গুরত্বের সাথে প্রচার ও প্রকাশ হয় শামীম ও ইকামুল হক টিটুর মানবিক নজিরের উদাহরণ।  নান্দনিক শাপলা স্কযার, প্রথম শহীদ মিনার স্বৃতি অম্লান, সেই নতুন বাজার মোড় এখন পায়রা চত্ত্বর, র‌্যালির মোড় এখন বিজয় মোড়, মানবিক কার্যক্রম, সৌন্দয্যবর্ধন শিক্ষা ও সংস্কৃতি উন্নয়ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন স্বাস্থ্য সেবায় উন্নয়ন অর্থনৈতিক উন্নয়ন করেছেন মেয়র টিটু।

সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, আমি আমার অবস্থান থেকে সার্বক্ষণিকভাবে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে কাজ করেছি।  মেয়র হিসেবে নগরবাসীর সকল সেবা সুনিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য মেনেই কাজ করেছি।  একটি দিনের জন্যও নগরবাসী থেকে বিচ্ছিন থাকিনি। করোনাকালে সকল কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা ছিল অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং বিষয়।  তবে ময়মনসিংহ নগরীকে একটি সমৃদ্ধ নগর করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলাম।  কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বৈশ্বিক দুটি সংকট আমাদের কার্যক্রমকে ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।  কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্টি হওয়া অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আমরা তেমনভাবে আমাদের কাজগুলো করতে পারিনি।

আমরা যদি স্বাভাবিক গতিতে কাজ করতে পারতাম তাহলে আমাদের এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে আরও বহুদূর আমরা এগিয়ে যেতে পারতাম। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অনেক কাজই গুছিয়ে এনেছি। এরই মধ্যে ৩৫৮ কিলোমিটার সড়ক ও ২৪৯ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ করেছি।  পাশাপশি নগরকে আলোকিত ১৭১ কিলোমিটার সড়কে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক এলইডি সড়কবাতি।  জলাবদ্ধতা নিরসনে অব্যাহত অভিযানে ১৬ কিলোমিটার খাল ইতোমধ্যে দখলমুক্ত করা হয়েছে।

যানজন সমস্যার ব্যাপারে ইকরামুল হক টিটু বলেন, সিটি হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে লোকজন নগরের দিকে আসছেন।  এই জনগণের চাপকে সামাল দিতে বিভিন্ন ধরনের যান্ত্রিক-অযান্ত্রিক যানবাহন এই নগরে বেড়েছে। তবে আমরা সেই পুরোনো বিলুপ্ত পৌরসভার সময়কার যে লাইসেন্স ছিল এখন পর্যন্ত আমরা গত কয়েক বছরে তা থেকে কমিয়ে নিয়ে আসছি।  তার সাথে আমরা একটি বিকল্প ব্যবস্থা করে যানবাহন শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করছি। নগরবাসী আমার পাশে থাকলে আগামীতে আমরা যানজট সমস্যার সমাধান করতে পারব।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা নিরসন, স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করার বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতোমধ্যে আমরা হাতে নিয়েছি।  নগরীতে একটি শিশু পার্ক করার প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।  এছাড়া বাস ও ট্রাক টার্মিনাল, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, আলোকিত নগর, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতা উন্নয়ন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করার বিষয়ে আমাদের বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে।  এগুলো অনেকাংশে আমরা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। অনেক কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আমরা যে পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি সেগুলোর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করতে পারলে নগরীর চিত্রই পাল্টে যাবে।  ইকরামুল হক টিটু বলেন, আমরা প্রান্তিক ও দরিদ্র গোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে একটি নগর মাতৃসদন ও তিনটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র করেছি।  যেখানে প্রায় আড়াই হাজার দরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে সেবা পাচ্ছে।  প্রতিদিন চার শতাধিক মা ও শিশু কম খরচে স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছেন।  এছাড়া অনেক কাজই নগরজুড়ে চলমান রয়েছে।  আমরা যে বরাদ্দ পেয়েছি তার মাঝে প্রায় ২০ ভাগ কাজ করতে পেরেছি।  বাকি কাজ সম্পন্ন হলে নগরটি বিশালভাবে পরিবর্তিত হবে।  আমি বিশ্বস করি জনগন আমাকে আবারও বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১