আপডেট : ২০ December ২০২১
নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে রাষ্ট্রপতির সংলাপ শুরু হচ্ছে আজ সোমবার থেকে। প্রথম দিন এই সংলাপে অংশ নিতে বঙ্গভবনে যাচ্ছে সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা)। পর্যায়ক্রমে নিবন্ধিত সব দলই বঙ্গভবনে সংলাপে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সংলাপ নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, এর মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক তৎপরতা আলোচনার টেবিলে গড়াবে। এতে রাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমবে। তবে জাতীয় পার্টি মনে করছে, এ সংলাপের মাধ্যমে অন্তত নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আইন তৈরি করার সুযোগ হবে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির এ সংলাপকে গুরুত্ব দিচ্ছে না দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি। দলটির নীতিনির্ধারকরা অতীতের ‘তিক্ত অভিজ্ঞতার’ কথা তুলে ধরে বলেছেন, এই সংলাপ ‘আইওয়াশ’ ও ‘স্পষ্ট প্রতারণা’ ছাড়া কিছুই নয়। তাই রাষ্ট্রপতির এ সংলাপে অংশ নেওয়া অর্থহীন বলে মনে করছেন তারা। এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুশীল সমাজ মনে করছেন, গত ৫০ বছরের কোনো সরকারই ইসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইন প্রণয়ন করেনি। প্রতিটি সরকারই কমিশন গঠনের সুবিধাটুকু নিজের হাতে রেখেছে। প্রতিটি সরকারই চায় রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিজেদের লোকদের কমিশনে নিয়োজিত করতে। তাই বর্তমান সংলাপ একটি ধারাবাহিকতা মাত্র। এর মাধ্যমে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোনো সমাধান আসবে না। বর্তমান ইসির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি। এ সময়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নতুন কমিশন গঠন করবেন, যাদের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির হাতে। তবে সুনির্দিষ্ট আইনের মাধ্যমে তা গঠনের কথা থাকলেও সেই আইনটি এখনো প্রণীত হয়নি। এর আগেও সাবেক সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ ও বর্তমান সিইসি কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের ভিত্তিতে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। পরে কমিটির সুপারিশ করা ব্যক্তিদের মধ্য থেকেই বিশেষ কাউকে নতুন নির্বাচন কমিশনের জন্য বেছে নেন রাষ্ট্রপতি। তবে এই দুই কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। নির্বাচন কমিশন কীভাবে গঠিত হবে, তা নিয়ে সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোনো আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।’ দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৩৯। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের আগে রাষ্ট্রপতির এই সংলাপের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বরং এটি একটি প্রক্রিয়ামাত্র। নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছিলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন মাত্র। বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে সংলাপ শুরু করেছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সে সময়ে এক মাস চলা সংলাপে দেশের ৩১টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। বিগত দিনের অভিজ্ঞতায় যা দেখা যায় তা হলো, রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে প্রধান করে একটি সার্চ কমিটি গঠন করে দেন। সেই সার্চ কমিটি প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছে কমিশনের সদস্য হিসাবে পাঁচটি নাম প্রস্তাব আকারে আহ্বান করেন। দলগুলো লিখিতভাবে নাম প্রস্তাব করার পর সার্চ কমিটি তা যাচাই-বাছাই করে ১০ জনের একটি শর্টলিস্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠান। রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চারজন কমিশনার নিয়োগ দেন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়াটি এভাবেই হয়েছিল। এদিকে সংলাপের ক্ষেত্রে গেলবারের চেয়ে এবার কৌশলগত কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। সংলাপের প্রথম দিনে ডাকা হয়েছে সরকারের বিরোধীদলীয় মিত্র জাতীয় পার্টিকে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের সংলাপে প্রথম রাজনৈতিক দল ছিল বিএনপি। বর্তমান সময়ে বিএনপির যে রাজনৈতিক অবস্থান, তাতে সংলাপে যোগ না দেওয়ার বিষয়টি এখনো স্পষ্ট। কারণ, দলের ওপর মহল থেকে বার বারই বলা হচ্ছে, তারা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন ছাড়া কোনো ধরনের নির্বাচনে যাবে না। সেক্ষেত্রে সংলাপে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা থাকছে না। তারপরেও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগকে ডাকার আগে হয়তো বিএনপির ডাক পড়বে বলে মনে করছেন অনেকে। নির্বাচন কমিশনে বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৩৯টি। এর আগেরবার ৩১টি রাজনৈতিক দলকে সংলাপে ডেকেছিলেন রাষ্ট্রপতি। বিএনপির অনাগ্রহের কারণে তাদের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিকরা এই সংলাপে অংশ নেবে কিনা, তা অনিশ্চিত। এ ক্ষেত্রে জোটে বিএনপি ছাড়া মাত্র তিনটি দলের নিবন্ধন রয়েছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মধ্যে আটটি দল নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত। অবশ্য সংলাপে নিবন্ধিত সব দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা বা সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা, তাও এখনও নিশ্চিত হয়নি। তবে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন থেকে জাতীয় পার্টি ছাড়াও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলকে (জাসদ) নতুন ইসি গঠনে সংলাপের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে জানান, ইসি গঠনে মতবিনিময়ের জন্য এ পর্যন্ত দুটি দলকে আমন্ত্রণের চিঠি পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে বসবে জাতীয় পার্টি। বুধবার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সংলাপে অংশ নেবে। অন্য দলগুলোকে এখনো চিঠি দেওয়া হয়নি, আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি চলছে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত সংলাপে যাওয়ার কথা জানিয়ে জাপা মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, আমরা অবশ্যই যাচ্ছি। সোমবার বিকেল ৪টায় এ সংলাপ হবে। এতে আমরা কী দাবি করব, এগুলো এখনো নির্ধারণ করিনি। তবে স্বাধীনতার ৫০ বছরেও নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে কোনো আইন তৈরি হয়নি দেশে। তাই সংলাপে রাষ্ট্রপতির কাছে জাতীয় পার্টির প্রধানতম দাবি হবে ইসি গঠনে আইন প্রণয়ন। এ দাবি আমরা অবশ্যই করব। বাকি দাবিগুলো আমরা যাওয়ার আগে আলোচনা করে ঠিক করব। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাদের নাম প্রস্তাব করবেন জানতে চাইলে চুন্নু বলেন, ‘এগুলো এখনো ঠিক করিনি। আর নাম তো রাষ্ট্রপতি আমাদের কাছে চাননি। নাম চাইবে সার্চ কমিটি। তারপরও আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়ার আগে আগামীকালকে (সোমবার) আবার বসব। তখনই নাম ঠিক করব। তবে জাতীয় পার্টির দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাসান জানান, সংলাপ দলের মোট ৮ জন যাচ্ছেন। তারা হলেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের, সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশিদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম এবং দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা। এদিকে বিএনপি ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতির এই সংলাপ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে। আইন করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে দলটি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন—ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির সংলাপ প্রসঙ্গে কিছু বলতে পারি না, এজন্য যে আমরা কিছুই জানি না এই সম্পর্কে। আমন্ত্রণ পেলে যাবেন কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির চিঠি পেলে দলে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। তিনি বলেন, গণতন্ত্রহীন সমাজে জবাবদিহিতা প্রতিটি পদে পদে বিঘ্নিত হয়। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে প্রতিটি ক্ষেত্রে এটা বিদ্যমান। তাই এই সংলাপ ‘আইওয়াশ’ ও ‘স্পষ্ট প্রতারণা’ ছাড়া কিছুই নয়। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচন কমিশন কার্যত ঠুটো জগন্নাথ। দলীয় সরকারের প্রভাব বলয়ের বাইরে গিয়ে ওই কমিশন কস্মিনকালেও কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে না। এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতিকে সংবিধান অনুযায়ী নতুন ইসি গঠনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হবে। ২০১২ ও ২০১৭ সালেও রাষ্ট্রপতি এ ধরনের সংলাপ করেছিলেন। কিন্তু বিরোধী রাজনৈতিক দলের কোনো মতামতের প্রতিফলন এতে ঘটেনি। এবারো প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ীই কমিশন গঠন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগের কমিশনগুলো যেমন জনগণের ভোটাধিকার ও নির্বাচনিব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে, তেমনই আরেকটা কমিশন গঠিত হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, দেশে নির্বাচনিব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। এ অবস্থায় এটার সমাধানের জন্য একটা রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানো জরুরি। তবে রাষ্ট্রপতি আয়োজিত এই সংলাপে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোনো সমাধান আসবে বলে মনে হয় না। সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ মনে করেন, বিদ্যমান আইনে রাষ্ট্রপতির সামনে বিকল্প কোনো পথ নেই। সংলাপ না ডেকেও নির্বাচন কমিশন গঠনের সাংবিধানিক এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির রয়েছে। তবে আগের দুটি কমিশন গঠনের সময় সংলাপ হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় এবারেও সংলাপের আয়োজন করা হচ্ছে। সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত বর্তমান ও আগের কমিশন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো পর্যবেক্ষণ থাকলে সংলাপে অংশ নিয়ে তারা তা রাষ্ট্রপতিকে জানাতে পারে। বিকল্প প্রস্তাব থাকলে তাও তুলে ধরতে পারে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের দায় শুধু নির্বাচন কমিশনের নয়। সব দলকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্রপতির এই সংলাপের মাধ্যমেই সেই কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রফেসর ডা. মুহাম্মদ দিলাওয়ার হোসেন বলেন, ‘ষষ্ঠ ও সপ্তম সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের রাজনীতির যে অবস্থা ছিল এখন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজনীতির অবস্থা অনেকটা তেমন হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশন গঠনের ব্যাপারে সরকার ও বিরোধীর মধ্যে বিশাল ফারাক। সরকারি দল বলছে, সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন এবং দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু নাগরিক ও সুশীল সমাজ মন্ত্রীদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। কারণ, তারা একাধিকবার দেখেছেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী হয় না। সেখানে যোগ্য লোকের সমাবেশ ঘটে না। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ দেওয়ায় সার্চ কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মনপছন্দ লোকজনই নিযুক্ত হন। এই সংলাপ নিতান্তই লোক দেখানো। এতে হয়তো রাজনৈতিক দলগুলোর ফটোসেশন এবং চা চক্রে অংশগ্রহণের সুযোগ হবে আর তাদের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার হবে। কিন্তু দেশের রাজনীতির পর্বতসম সমস্যার কোনো সমাধান আসবে বলে মনে হচ্ছে না।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১