আপডেট : ১৮ September ২০২১
সিএনজি চালিত অটো রিকশার অর্ধেকাংশ ঘাস, উপরে রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ ও। দুর থেকে দেখা যাচ্ছে এ যেন এক ছায়া ঘেরা অপরূপ সবুজ বাংলার প্রকৃতি । সড়ক পথে চলাচলে যেখানেই যাওয়া হচ্ছে সেখানেই যেন প্রকৃতি চলে যাচ্ছে । এ ব্যতিক্রমী সিএনজি অটো রিকশাটি চারদিকে সবুজের আচ্ছাদন হওয়ায় প্রতিনিয়ত পথচারীদের নজর কাড়ছে । এমন দৃশ্য দেখা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ব্যস্ততম সড়কে। ওই সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সবুজ ছায়া ঘেরা গ্রামবাংলার প্রকৃতির এমন সান্নিধ্য মিলছে। দিন দিন বাড়ছে এর কদরও। উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের ছতুরাশরীফ এলাকার মো. সালাহউদ্দিন নামে এক চালক শখ করে তার সিএনজিকে তিনি ঘাস ও নানা প্রকার গাছ দিয়ে সাজিয়েছে। এ যেন এক ছায়া ঘেরা অপরূপ সবুজ বাংলার প্রকৃতিকে হার মানিয়েছে। চালক সালাহউদ্দিন ছতুরাশরীফ গ্রামের মো. ফয়েজ খন্দকারের ছেলে। ৩ ভাই’এর মধ্যে সে সবার ছোট। সে এটি নিয়ে চলাচল করে জেলার মধ্যে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। সালাহউদ্দিন বলেন, চলার পথে যাত্রীদের নজর কাড়তে ও গরম থেকে পরিত্রাণ দিতে এবং সৌন্দর্য্য বাড়ানোর চিন্তা থেকেই তার সিএনজিটিকে প্রকৃতিতে সাজানো হয়েছে। সিএনজির অর্ধেকাংশে (বডিতে) লাগানো হয়েছে কার্পেট দিয়ে সবুজ ঘাস। সেইসাথে উপরে রয়েছে প্লাষ্টিক টবের মধ্যে নানা প্রজাতির গাছ। এসব সুন্দর করে লাগানোর ফলে বৃষ্টিসহ কোন কিছুতেই সহজে ওইসব নষ্ট হচ্ছে না। সে আরও বলেন, গত প্রায় ১৭ দিন ধরে প্রকৃতিকে সঙ্গে নিয়ে সড়ক পথে সকাল বিকাল বিভিন্ন এলাকায় এই সিএনজি নিয়ে চলছি। যেখানে যাচ্ছি সবাই যেন রাস্তায় তাক লাগিয়ে দেখছেন। এই সবুজ প্রকৃতির সিএনজি অটো রিকশা দেখতে পেয়ে অনেকেই অধির আগ্রহে ভ্রমন করছেন। দিন দিন চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তার আয় ও বেশ বাড়ছে বলে জানায়। সেইসাথে যাত্রীরা এর প্রশংসাও করছেন। তিনি আর ও বলেন এখন সিএনজিটির পুরো কাজ শেষ হয়নি। আশা করছি ১০-১২ দিনের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হবে। ধরখার এখাকা থেকে আসা মো. দেলোয়ার হোসেন নামে এক যাত্রী বলেন, প্রথম এটা দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে যায়। এরপর ভাড়ায় এই সিএনজি দিয়ে মোগড়া বাজার এলাকাতে আসা হয়। চড়তে বেশ ভালো লেগেছে। ছতুরাশরীফ এলাকার মো. জসিম মিয়া বলেন, সবুজ প্রকৃতির এই সিএনজিটি দেখতে খুবই সুন্দর। এটি নিয়ে যেখানে যাওয়া হয় মানুষ দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। মো. কালাম মিয়া বলেন, গত কয়েক দিন ধরে ভাবছি এটা দিয়ে একটি ঘুরবো। কিন্তু সময় সুযোগ না হওয়ায় আর যাওয়া হয়নি। তবে এটার মধ্যে ছায়া ঘেরা অপরূপ সবুজ বাংলার প্রকৃতি থাকায় দেখতে খুবই ভালো লাগছে। সালাহউদ্দিন বলেন এ কাজ করতে তার খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকার মতো। চলালে মানুষের বেশ আগ্রহ রয়েছে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১