আপডেট : ০৬ April ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে লকডাউনসহ অন্যান্য বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনে আইন প্রয়োগে কঠোর হতেও বলেছেন। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নিয়ে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব জানান। সচিব জানান, লকডাউনের নির্দেশনা সবাইকে কঠোরভাবে মানতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। করোনার সংক্রমণ রোধে মানুষের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। লকডাউন দেওয়ায় আগের চেয়ে মানুষের আনাগোনা কমেছে। বৈঠকে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ১০ হাজার টাকা হারে বছরে দুটি উৎসব ভাতা এবং খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে দুই হাজার টাকা করে দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আর খেতাবপ্রাপ্ত, যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে জীবিতদের মহান বিজয় দিবস ভাতা হিসেবে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বর্তমানে পাঁচ হাজার ২২২ জন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে পঙ্গুত্বের মাত্রাভেদে চারটি (এ, বি, সি ও ডি) শ্রেণিতে মাসে ৪৫ হাজার টাকা থেকে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা, ৯৫২ জন মৃত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে মাসে ২৫ হাজার টাকা, ৫ হাজার ৮১৬ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের মাসে ৩০ হাজার টাকা হারে সম্মানি ভাতা এবং বছরে ১০ হাজার টাকা হারে দুটি উৎসব ভাতা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা বাংলা নববর্ষ ভাতা এবং জীবিত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবস ভাতা পাচ্ছেন না। সাত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারকে মাসে ৩৫ হাজার টাকা, ৬৮ বীর উত্তম পরিবারকে মাসে ২৫ হাজার টাকা, ১৭৫ বীর বিক্রম পরিবারকে মাসে ২০ হাজার টাকা এবং ৪২৬ বীর প্রতীক পরিবারকে মাসে ১৫ হাজার টাকা হারে সম্মানি ভাতা দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধারা কোনো উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতা এবং খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবস ভাতা পান না। বর্তমানে সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধারা মাসে ১২ হাজার টাকা হারে সম্মানি ভাতার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা হারে দুটি উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে দুই হাজার টাকা এবং জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবস ভাতা হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা পেয়ে আসছেন। বৈঠক শেষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বইমেলায় কঠোরভাবে নিয়ম মানা হচ্ছে। যদি এর ব্যত্যয় হয় তাহলে সরকার নতুনভাবে চিন্তা করবে। গণপরিবহনসহ অন্য কোথাও যদি সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১