আপডেট : ০৪ December ২০২০
বাংলাদেশে আশ্রিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের একটি দলকে কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে ১ হাজার ৬'শ ৪২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রত্যেকেই নিজেদের ইচ্ছাতেই গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা। সঠিক তথ্য জানা ছিল না বলেই প্রথম দিকে তাদের অনীহা ছিল, পরে স্বেচ্ছায় রাজি হন তারা। কক্সবাজারের আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং পরিবেশের ওপর চাপ কমাতে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে রোহিঙ্গাদের অনিচ্ছা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের কারণে সেই প্রক্রিয়া ব্যহত হয়। তবে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় যেতে রাজি হলে স্থানান্তর শুরু করার আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আছে। নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪'শ পরিবারের ১ হাজার ৬'শ ৪২ জন রোহিঙ্গাকে প্রথম ধাপে ভাসানচরে নেয়া হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের কাছে ভাসানচর সংক্রান্ত সঠিক তথ্য ছিল না বলেই স্থানান্তরের বিষয়ে নিজেদের অনীহার কথা জানান তারা। কোন চাপের মুখে নয় বরং নিজেদের ইচ্ছাতেই ভাসানচরে যাচ্ছেন বলেও জানান রোহিঙ্গারা। ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভালোভাবে বাঁচার জন্য নিজেদের ইচ্ছাতেই ভাসানচর যাচ্ছি। যাওয়ার জন্য কেউ আমাদের ভয় দেখায় নাই আমরা খুশি মনে যাচ্ছি’। ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যাওয়ার জন্য নাম তালিকাভুক্ত করেছে। ধাপে ধাপে তাদের ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে, যেখানে এক সাথে থাকতে পারবে এক লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। বাংলাদেশে আশ্রিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অস্থায়ী বসবাসের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে নির্মিত হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। রোহিঙ্গাদের জীবনমান বদলে দেয়ার সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে সেখানে। অনেকদিন ধরেই রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে নানা বাস্তবতায় সেটি পেছাচ্ছিল। স্বেচ্ছায় যারা যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তাদের পাঠানোর মাধ্যমেই অবশেষে তাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১