আপডেট : ১৩ May ২০২০
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ ইকুরিয়া পূর্বপাড়ায় আওয়ামী যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী কেলের উপর হামলার প্রধান আসামী বিএনপি নেতা শামসুসহ বাকি আসামীদের এখনো পুলিশ আটক করতে পারেনি। এমামলার এজাহার ভুক্ত আসামীরা দিনদুপুরে পুলিশের চোখ ফাঁকিদিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দলীয় কোন্দল, পূর্ব শত্রুতার রেশ ধরে দীর্ঘদিন শামসুর সাথে বিবাদ চলছিল মোহাম্মদ আলী কেলের সাথে। গত ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধায় লকডাউনের মধ্যে তারাবি নামাজকে কেন্দ্রকরে দু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কেলেসহ পরিবারের আট সদস্যকে ধারালো রামদা, দাও ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরতর জখমকরে শামসু ওরফে টেপরা শামসু, তার ভাই, ছেলে, ও ভাতিজারা। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রথম রোজায় সরকারী আইন অমান্য করে মসজিদে ভোরে নামাজ পড়ায় বাধা দেন যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী কেলে। তার একদিন পরে মোহাম্মদ আলীর ছোট ভাই তারাবি নামাজ পড়তে গেলে তার ছোট ভাই মহব্বতকে মারধর করে শামসু ও তার ছেলে ভাই ভাতিজারা। কেলের ছোট ভাইকে মারধরের কথা জিজ্ঞাস করতে গেলে পথের মধ্যে শামসুর ছেলে ভাতিজারা তাদের উপর হামলা চালায়। এসময় মোহাম্মদ আলী কেলেসহ ৮জন আহত হয়। তার পরদিন মোহাম্মদ আলী কেলে বাদী হয়ে শামসুর বাহিনীর বিরুদ্ধে ১০/১২ জনের নামে একটি মামলা করেনে। মামলার ১দিন পরে পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। এবং সংঘর্ষে ব্যবহার করা ধারালো অস্ত্র, স্টিট স্টাম ও ট্যাডা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এব্যাপারে মসজিদের সেক্রেটারী মোখলেসুর রহমান বলেন, শামসুর মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় এই হামলার প্রধান কারণ। শামসু মাদক সম্রাট এলাকার সবাই জানে।এর পূর্বে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অনেকবার তার বাড়িতে রেইড দিয়ে মাদক উদ্ধার করেছে। শামসু যুবসমাজকে ধ্বংস করার পায়তারা করেছে বলে জানান তিনি। এ বেপারে মামলার বাদী মোহাম্মদ আলী কেলে বলেন, আমি মুরুব্বিদের নিয়ে আমার ছোট ভাইকে মারধরের বিষয়ে জানতে গেলে হঠাৎ আমাদের উপর হামলা করা হয়। এতে আমার পরিবারের একজনের ৪২টি সেলাই হয়েছে। অন্যান্যরা এখনো গুরুতর আহত। টেপরা শামসুর ছেলেরাও এলাকাতে প্রায় প্রায় আধিপত্য বিস্তার করে যার তার উপর হামলা করে। আসামীদের কোন ছাড় নয়।এদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চাই। থানার এস আই মোঃ জসিম জানান, মামলার পরের দিন ৯ ও ১০নং আসামীকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামীরা পলাতক আছে। বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেছি। আসামীদের আটক করে আইনের আওতায় আনতে আমাদের অভিযান অব্যহত আছে। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজামান বলেন, এব্যাপারে ৩০ এপ্রিল মামলা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে । শামসু যতবড় ক্ষমতাশালী হোকনা কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১