বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১১ May ২০২০

করোনাকে তোয়াক্কা না করে ১৫তম দিনেও শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীর চাপ


প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে তোয়াক্কা না করে ১৫তম দিনেও শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল পড়েছে। সোমবার সকাল থেকে শত শত লোক ঢাকায় ফিরতে ফেরি পার হয়েছে। ফেরিতে গাদাগাদি করে করোনার ভয়কে উপেক্ষা করে এসব যাত্রীরা ফিরছে কর্মস্থলে। আজ সোমবার ১৫তম দিনেও শত শত ঢাকামুখী নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুট দিয়ে কর্মস্থল ঢাকা ও তার আশপাশের জেলাগুলোতে ফিরেছে।

সকালে সরজমিনে শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, কাঁঠালবাড়িঘাট থেকে ফেরিতে করে আসছে লোক আর লোক। ফেরিগুলোতে গুটি কয়েক গাড়ির সাথে শত শত লোক আসছে শিমুলিয়া ঘাটে। এখানে এসে ফেরি থেকে নামতে এক অপরের শরীরের ওপর দিতে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় লেগে যাচ্ছে যাত্রীসাধারণ। তাদের মধ্যে করোনার তেমন কোনো ভয় দেখা যায়নি। ফেরি থেকে নেমেই কার আগে কে যানবাহনে উঠবে এ নিয়ে ছুটাছুটি করেছে লোকজন। বাস না থাকায় প্রতিদিনকার মতো আটো, সিএনজি, টেম্পো, ইয়েলোক্যাব, নসিমন, করিমন, উবারের অফলাইনের মোটরসাইকেল ও গাড়িতে করে ভেঙে ভেঙে তারা গন্তব্যে ফিরছে। এতে তাদেরতে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুণতে হচ্ছে। এ মহামারিতেও যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ছে।

LOUHOJONG PIC-(5)-11-05-2020মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পুলিশ-পরিদর্শক) মো. সিরাজুল কবির জানান, কোথা থেকে প্রতিদিন শত শত লোক আসছে তা বোধগম্য নয়। সবই ঢাকামুখী যাত্রী। সরকার গার্মেন্টের পর মার্কেট খুলে দেবার ঘোষণা দিলে নানা শ্রেণি-পেশার শত শত লোক গত কয়েকদিন যাবৎ ঢাকা ও তার আশপাশের জেলাগুলোতে ছুটছে। ফেরিতে গাদাগাদি করে এরা শিমুলিয়া ঘাটে আসছে। কারো শরীরে করোনা থাকলে তা সংক্রামিত হবার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। সরকার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বললেও এখানে তা পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটস্থ এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে ১২টি ফেরি চলাচল করছে। সোমবার সকাল থেকেই শত শত ঢাকমুখী যাত্রী পার হয়েছে ফেরিতে করে।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১