আপডেট : ২৯ September ২০১৯
বাংলাদেশের তলদেশে লুকিয়ে থাকা একটি প্রাচীন সমুদ্র তলদেশের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ইউনিভার্সিটি অব হায়দরাবাদের সেন্টার ফর আর্থ, ওসেন অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেয়ারিক সায়েন্সের অধ্যাপক কেএস কৃষ্ণ এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওসেনোগ্রাফির ডিএসটি-ইন্সপায়ারের গবেষক ড. মোহাম্মদ ইসমাইলের যৌথ গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ গবেষণার ফলাফল কারেন্ট সায়েন্স সাময়িকীর সম্প্রতি সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব হায়দরাবাদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বহু বছর ধরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওসেনোগ্রাফিতে দেরাদুনের ওএনজিসি এবং হোস্টনের রাইস ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের গঠনাত্মক বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করছিল। গবেষক দলের একটি অংশ ইউনিভার্সিটি অব হায়দরাবাদে চলে আসার পরও এই কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। দীর্ঘমেয়াদি এই গবেষণায় মহাসাগরীয়পূর্ব বঙ্গোপসাগরের মহাদেশীয় ভাঙনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও জ্যামিতিক চিত্র ব্যাখ্যা করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্র তলদেশের মাধ্যমে সামুদ্রিক শিলাগুলো কলকাতা ও উত্তরের রাজমহল-সিলেট, শিলং থেকে ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে এগুলো ছিল বঙ্গোপসাগরের আদিশিলা। তবে এগুলো হিমালয় থেকে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ দিয়ে বয়ে আসা বিপুল পরিমাণের পলি ও অন্যান্য বর্জ্যের নিচে চাপা পড়ে। এই প্রক্রিয়াতেই বঙ্গোপসাগরের আদি অঞ্চল ও একটি নতুন বিস্তৃত ভূখণ্ড গড়ে ওঠে। বর্তমানে এই অঞ্চলটি বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। বৈশ্বিক মহাসাগরের একটি অংশ এভাবেই পলিমাটির নিচে চাপা পড়ে যায় অথবা দ্বীপ হিসেবে টিকে থাকে। তবে প্রথমবারের মতো আবিষ্কৃত বিস্তৃত ভূখণ্ডের নিচে সামুদ্রিক শিলার অবস্থান পৃথিবীর জন্য একটি অনন্য ঘটনা।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১